SJDA | জমিতে অবৈধ হোর্ডিং, বেআইনি কারবার রুখতে ব্যবস্থা নিচ্ছে এসজেডিএ

SJDA | জমিতে অবৈধ হোর্ডিং, বেআইনি কারবার রুখতে ব্যবস্থা নিচ্ছে এসজেডিএ

শিক্ষা
Spread the love


রণজিৎ ঘোষ, শিলিগুড়ি: শিলিগুড়ি-জলপাইগুড়ি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এসজেডিএ) জমিতে দিব্যি হোর্ডিংয়ের ব্যবসা চলছে (SJDA)। অথচ সংস্থার তা জানাই ছিল না। তবে এবারে তা জানতে পারার পর এই কারবার রুখতে সংস্থা এবার শিলিগুড়ি মহকুমা ও জলপাইগুড়ির বিভিন্ন জায়গায় কড়া পদক্ষেপ করছে। ইতিমধ্যেই প্রতিটি এলাকায় সংস্থার বাস্তুকারদের পাঠিয়ে সমীক্ষা করে কোথায় কোন জমিতে কার হোর্ডিং রয়েছে, হোর্ডিংয়ের পরিমাপ কত সেসব নথিভুক্ত করা হচ্ছে। এর পরেই সাতদিনের সময় দিয়ে অবৈধ সমস্ত হোর্ডিং সরিয়ে নেওয়ার নোটিশ দেওয়া হবে। এই সময়ের মধ্যে হোর্ডিং না সরলে এসজেডিএ-ই হোর্ডিংগুলি ভেঙে ফেলে দেবে বলে চেয়ারম্যান দিলীপ দুগার জানিয়েছেন।

শিলিগুড়ি এবং জলপাইগুড়ির বিস্তীর্ণ এলাকায় এসজেডিএ’র প্রচুর পরিমাণে জমি রয়েছে। শিলিগুড়ির কাওয়াখালি, সুশ্রুতনগর থেকে শুরু করে গোঁসাইপুর, মাটিগাড়া, বাগডোগরাতেও রাস্তার পাশ দিয়ে সংস্থার প্রচুর জমি ফাঁকা পড়ে রয়েছে। বহু সংস্থা হাসপাতাল থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রকল্পের জন্য জমি নিয়ে ১০-১৫ বছর ধরে ফেলে রেখেছে। সেই জমিগুলি ফেরত নেওয়া নিয়ে বহু আলোচনা হয়েছে, কিন্তু বাস্তবে কাজের কাজ কিছুই হয়নি।

তবে, এসজেডিএ’র জমি ব্যবহার করে বিশাল বিশাল লোহার কাঠামো বসিয়ে নামীদামি কোম্পানির বিজ্ঞাপনী হোর্ডিং ঝোলানো হয়েছে। অভিযোগ, শহর এবং শহরতলির একাংশ ব্যবসায়ী এই ব্যবসায় যুক্ত। এগুলি থেকে প্রতিটি হোর্ডিং সংস্থা বছরে কোটি টাকা আয় করছে। কিন্তু এসজেডিএ’র কাছে এই সমস্ত হোর্ডিংয়ের বিষয়ে কোনও নথিপত্রই নেই। অর্থাৎ এসজেডিএ’র অনুমতি ছাড়াই সংস্থার জমি ব্যবহার করে এভাবে বেআইনি কারবার চলছে।

শুক্রবার নৌকাঘাট থেকে উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের রাস্তায় এগোতেই চোখে পড়ল, এসজেডিএ’র বাস্তুকাররা প্রতিটি হোর্ডিংয়ের ছবি তুলছেন এবং সেগুলি মাপজোখ করছেন। খবর নিয়ে জানা গেল, কোন জায়গায় কতগুলি হোর্ডিং রয়েছে, প্রতিটি হোর্ডিংয়ের দৈর্ঘ্য, প্রস্থ কত সমস্তটার ছবি তুলে নেওয়ার পাশাপাশি খাতায় নথিভুক্ত করা হচ্ছে।

পরে এসজেডিএ’র চেয়ারম্যান দিলীপ দুগার বলেন, ‘সংস্থার জমি ব্যবহার করে স্থায়ী লোহার কাঠামো বসিয়ে প্রচুর সংস্থা বিনা অনুমতিতে হোর্ডিং বসিয়ে দিয়েছে। আমাদের কাছে এসবের কোনও হিসেব নেই। কিন্তু জমিটা তো এসজেডিএ’র। তাই আমরা শিলিগুড়ি-জলপাইগুড়ি পরিকল্পনা এলাকায় (এসজেপিএ) সংস্থার হাতে থাকা জমিতে যতগুলি হোর্ডিং রয়েছে প্রতিটির তথ্য সংগ্রহ করছি। সংস্থার বাস্তুকাররা ইতিমধ্যেই ময়দানে নেমে কাজ শুরু করেছেন। এর পরে প্রতিটি সংস্থাকে সাতদিনের সময় দিয়ে নোটিশ করে হোর্ডিং সরিয়ে নিতে বলা হবে। তারা সেই সময়ের মধ্যে হোর্ডিং না সরালে আমরা সেগুলি ভেঙে দেব।’

তিনি এদিন বলেন, ‘বাগডোগরা বিমানবন্দরের কাছে সংস্থার একটি জমি দীর্ঘদিন ধরে ফাঁকা পড়ে রয়েছে। সেই জমিটি দখল করে কিছু মানুষ বিক্রির ছক কষছিল। আমরা এদিনই সেই জমিটি পরিমাপের ব্যবস্থা করে চারদিকে ঘেরা দেওয়ার কাজ শুরু করেছি। সরকারি জমি কোনওভাবেই বেহাত হতে দেওয়া হবে না।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *