উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: রাজ্যে ভোটার তালিকা ত্রুটিমুক্ত করতে নির্বাচন কমিশনের বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা ‘এসআইআর’ প্রক্রিয়া ঘিরে শোরগোল তুঙ্গে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল রাজ্যের নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী শশী পাঁজার নাম (Shashi Panja)। আজ অর্থাৎ রবিবার দুপুর ২টোয় তাঁকে কলকাতার কেশব অ্যাকাডেমিতে শুনানির জন্য হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে (SIR Listening to)। মন্ত্রীর পাশাপাশি এই তালিকায় নাম জুড়েছে তৃণমূলের তরুণ নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্যেরও (Debangshu Bhattacharya)।
এই ঘটনায় স্বভাবতই ক্ষুব্ধ মন্ত্রী শশী পাঁজা। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় তাঁর নাম স্পষ্ট রয়েছে। মন্ত্রীর অভিযোগ, নির্বাচন কমিশন অত্যন্ত তড়িঘড়ি করে এই কাজ করতে গিয়ে বিএলও-দের ব্যবহৃত অ্যাপ ও সফটওয়্যারে যান্ত্রিক গোলযোগ তৈরি করেছে। যার ফলে পুরোনো তালিকায় নাম থাকলেও অ্যাপে তা দেখাচ্ছে না।
ক্ষোভ প্রকাশ করে শশী পাঁজা বলেন, ‘এটা অত্যন্ত আশ্চর্যজনক এবং হাস্যকর। কমিশনের এই হুড়োহুড়ির কারণেই সাধারণ মানুষকে হেনস্থার শিকার হতে হচ্ছে। আমার যখন ডাক পড়েছে, তখন সাধারণ মানুষের অবস্থা সহজেই অনুমেয়।’ তবে একজন দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে তিনি জানিয়েছেন, আর পাঁচজন সাধারণ মানুষের মতোই তিনি নির্দিষ্ট সময়ে শুনানিতে হাজিরা দেবেন।
উল্লেখ্য, এর আগে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন, কবি জয় গোস্বামী এবং অভিনেতা-সাংসদ দেবকেও একই কারণে শুনানিতে ডাকা হয়েছিল। একদিকে যখন কমিশন নির্ভুল তালিকা তৈরির দাবি জানাচ্ছে, অন্যদিকে একের পর এক হেভিওয়েট ব্যক্তিত্বদের এই ‘প্রযুক্তিগত ভুল’-এর শিকার হওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহলে। দেবাংশু ভট্টাচার্যও সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর ডাক পাওয়ার কথা জানিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। বর্তমানে এই শুনানি ও ভোটার তালিকায় নাম সংশোধনের প্রক্রিয়া নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা চলছে।
