Siliguri Brief Circuit | বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে অকালমৃত্যু! মা-ছেলের মর্মান্তিক পরিণতির সাক্ষী শিলিগুড়ির ৪১ নম্বর ওয়ার্ড  

Siliguri Brief Circuit | বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে অকালমৃত্যু! মা-ছেলের মর্মান্তিক পরিণতির সাক্ষী শিলিগুড়ির ৪১ নম্বর ওয়ার্ড  

শিক্ষা
Spread the love


শিলিগুড়ি: শিলিগুড়ির ভক্তিনগর থানা এলাকার ভবসিন্ধু কলোনিতে ভয়াবহ বিদ্যুৎ বিপর্যয়ে মৃত্যু হলো মা ও ছেলের (Siliguri Brief Circuit)। বুধবার সন্ধ্যার এই মর্মান্তিক ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা এলাকায়। মৃতরা হলেন প্রমিলা রায় (৫৫) এবং তাঁর বড় ছেলে রাজু রায় (২৭)। দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন সুনতি সাউ নামে আরও এক তরুণী, যিনি বর্তমানে শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, প্রমিলাদেবী পক্ষাঘাতে আক্রান্ত ছিলেন। বুধবার সন্ধ্যায় তিনি জানলার শিক ধরলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। মাকে বাঁচাতে গিয়ে বড় ছেলে রাজুও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পড়ে। পরিবারের সদস্যরা তড়িঘড়ি তাঁদের সেবক রোডের একটি স্থানীয় নার্সিংহোমে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁদের মৃত বলে ঘোষণা করেন। মৃত প্রমিলাদেবীর স্বামী নীরেন রায় জানিয়েছেন, ঘটনার সময় তিনি কাজের সূত্রে বাইরে ছিলেন। দুই সন্তানকে হারিয়ে তিনি এখন শোকে পাথর।

এদিকে, একই সময়ে ওই এলাকারই অন্য একটি বাড়িতে সুনতি সাউ নামে এক তরুণী বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। তাঁর স্বামী জানিয়েছেন, বাড়ির টিন স্পর্শ করতেই স্ত্রী শক খান। এর পরেই টিন পরীক্ষা করে দেখা যায়, গোটা এলাকায় বিদ্যুৎ পরিবাহী হয়ে রয়েছে।

ঘটনার পরেই স্থানীয় বাসিন্দারা বিদ্যুৎ বিভাগে বারবার ফোন করলেও অভিযোগ, প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর বিদ্যুৎ কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। দেরিতে আসার কারণে এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি সামলাতে ভক্তিনগর থানার আইসি মহেশ্বর মাঝি নিজে বিদ্যুৎ বিভাগে ফোন করেন।

স্থানীয় বাসিন্দা মানস রায়ের অভিযোগ, “বিদ্যুৎ বিভাগের গাফিলতির জন্যই আজ দুটি প্রাণ ঝরে গেল। সময়মতো লাইন বিচ্ছিন্ন করা হলে হয়তো আরও একজন আহত হতো না।” বিদ্যুৎ কর্মীরা এলাকায় এসে প্রাথমিকভাবে সব বাড়ির টিন পরীক্ষা করেন এবং গোটা এলাকার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। পুলিশের পক্ষ থেকে এলাকাবাসীদের রাতের বেলা বাড়ির বাইরে না থাকার অনুরোধ করা হয়েছে। শর্টসার্কিটের প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখছে বিদ্যুৎ বিভাগ।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *