Siliguri | নির্বাচনী আবহে ‘জামাত-রোহিঙ্গা’ কাঁটা! শিখা-প্রীতিকণার বাকযুদ্ধে ‘তপ্ত’ শিলিগুড়ির ৪৪ নম্বর ওয়ার্ড

Siliguri | নির্বাচনী আবহে ‘জামাত-রোহিঙ্গা’ কাঁটা! শিখা-প্রীতিকণার বাকযুদ্ধে ‘তপ্ত’ শিলিগুড়ির ৪৪ নম্বর ওয়ার্ড

শিক্ষা
Spread the love


শিলিগুড়ি: বিধানসভা নির্বাচনের প্রচার যত এগোচ্ছে, উত্তরবঙ্গে রাজনৈতিক পারদ ততই চড়ছে। শনিবার শিলিগুড়ি পুরনিগমের ৪৪ নম্বর ওয়ার্ডের দশরথপল্লিতে ভোটপ্রচারে গিয়ে কার্যত মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়ালেন বিজেপি প্রার্থী শিখা চট্টোপাধ্যায় এবং ওই ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর তথা বোরো চেয়ারম্যান প্রীতিকণা বিশ্বাস। সৌজন্যের হাসি দিয়ে শুরু হলেও, মুহূর্তেই সেই আলোচনা মোড় নিল দেশভক্তি, সীমান্ত রক্ষা এবং হিন্দুত্বের বিতর্কে।

প্রচার চলাকালীন শিখা চট্টোপাধ্যায় সরাসরি প্রীতিকণাকে বলেন,‘সবার আগে দেশ বড়। বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে। তার একপাশে বিভিন্ন জায়গায় জামাতরা জিতেছে। তারা কিন্তু এদেশে হানা দেবে। আমাদের ওপর অত্যাচার হবে।’

এর পাল্টা জবাবে প্রীতিকণা বলেন, ‘সীমান্ত তো আপনাদের। সেটা রক্ষা করার দায়িত্ব তো আপনার। সীমান্ত দেখার কথা আপনাদের। কিন্তু আপনি বলছেন মমতা বন্দোপাধ্যায়ের কথা।’

বিতর্ক আরও বাড়ে কাঁটাতার দেওয়া নিয়ে। প্রীতিকণার এক সঙ্গী যখন মনে করিয়ে দেন যে কাঁটাতার দেওয়ার দায়িত্ব কেন্দ্রের, তখন শিখার অনুগামীরা পাল্টা দাবি করেন, “আপনারা (রাজ্য সরকার) আগে জমি দিন।” শিখা চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, নরেন্দ্র মোদী কাঁটাতারের জন্য প্রচুর টাকা দিলেও রাজ্য সরকার জমি দিচ্ছে না বলে কাজ এগোচ্ছে না।

আলোচনায় উঠে আসে হিন্দুত্ব এবং রোহিঙ্গা ইস্যুও। শিখা চট্টোপাধ্যায় যখন দেশকে বাঁচানোর লড়াইয়ের কথা বলেন, তখন প্রীতিকণা পাল্টা আক্রমণ শানিয়ে বলেন, ‘আপনি  হিন্দুত্বের কথা বলছেন। সেই হিন্দুত্ব রক্ষার করার কথাই যদি হত, তাহলে সাধুদের ওপর আক্রমণ হত না। রোহিঙ্গা কথার ব্যবহার করে আপনারা মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছেন।’

এদিনের এই বাকযুদ্ধকে স্থানীয় বাসিন্দারা ‘দুই পিসির জোর টক্কর’ হিসেবেই দেখছেন। একদিকে প্রীতিকণা বিশ্বাস দাবি করেছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, গৌতম দেব এবং রঞ্জন শীলশর্মা বিপুল ভোটে জিতবেন। অন্যদিকে, শিখা চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, এই লড়াই দেশকে বাঁচানোর লড়াই।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *