Siliguri | কালভার্টের কাজে যানজট-যন্ত্রণা দ্বিগুণ

Siliguri | কালভার্টের কাজে যানজট-যন্ত্রণা দ্বিগুণ

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


সাগর বাগচী, শিলিগুড়ি: যানজটের জন্য দার্জিলিং মোড়ের খ্যাতি রীতিমতো জগৎজোড়া (Siliguri)। সেই তকমাকে আজকাল টেক্কা দেয় কোর্ট মোড় থেকে হাসমি চক পর্যন্ত রাস্তাটি। একবার গাড়িতে উঠে বসলে চাকা যেন এগোতেই চায় না। দিনের কিছু নির্দিষ্ট সময়ে নাকাল হন পথচলতি মানুষ। একে রাস্তাটি চওড়ায় কম। তার ওপর দু’পাশ দখল করে অস্থায়ী দোকান।

যন্ত্রণা আরও বাড়িয়েছে পরিকল্পনাহীন সরকারি কাজ। অভিযোগ, যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ না করেই শিলিগুড়ির প্রধান ডাকঘরের সামনে সড়কের অধিকাংশ খুঁড়ে সোমবার রাত থেকে কার্লভার্ট নির্মাণ শুরু হয়েছে। যার জেরে মঙ্গলবার সকাল থেকে যানজট মারাত্মক চেহারা নিয়েছে। কোর্ট মোড় থেকে প্রচুর সংখ্যায় বেসরকারি বাস, সিটি অটো ও টোটো চলাচল করে সকাল থেকে রাত অবধি। এমন ব্যস্ত রুটে নির্মাণকাজ শুরুর আগে কেন নির্দিষ্ট পরিকল্পনা করা হল না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন শহরবাসী। নিবেদিতা মার্কেটে দোকান রয়েছে সুভাষ রাহার। যানজট দেখে তাঁর মত, ‘বাস চলাচল বন্ধ না করলে এই সমস্যা আরও বাড়বে। যেভাবে গর্ত খোঁড়া হয়েছে, তাতে একটি বাসের পাশ দিয়ে টোটো যাওয়ার মতো পরিস্থিতিও নেই। যখন-তখন দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।’

পূর্ত দপ্তর সূত্রে খবর, এই কাজ শেষ করতে অন্তত তিন মাস সময় লাগবে। মঙ্গলবার সকাল থেকে ওই রাস্তায় যানজট মোকাবিলা করতে গিয়ে ট্রাফিক পুলিশকর্মীদের কালঘাম ছুটে গিয়েছে। শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব বলছেন, ‘লোকাল বাসগুলোকে প্রয়োজনে তেনজিং নোরগে বাস টার্মিনাস থেকে চালানো হবে। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব।’ শিলিগুড়ির ডিসিপি (ট্রাফিক) কাজি সামসুদ্দিন আহমেদের বক্তব্য, ‘ওই অংশে যানজট হচ্ছে, সেটা আমরা আজ লক্ষ করেছি। এদিন কাজের প্রথম দিন ছিল। যানবাহনগুলো অন্য কোনও রাস্তা দিয়ে চালানো যায় কি না, সেটা দেখা হচ্ছে।’

বর্ষায় দীনবন্ধু মঞ্চের সামনের রাস্তায় জল জমে মানুষের দুর্ভোগ বাড়ে। মঞ্চ ও আশপাশের এলাকার নর্দমার জল প্রধান ডাকঘরের পাশে থাকা ভূগর্ভস্থ নিকাশি ব্যবস্থার মাধ্যমে বের হয়। কিন্তু নিকাশিনালা নিয়মিত সাফাই না হওয়ায় আবর্জনা, মাটি জমে গিয়েছে। ফলে ঠিকমতো জল বের হচ্ছিল না। সামান্য বৃষ্টিতেই জমছিল জল। পূর্ত দপ্তর ৩১ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ডাকঘরের সামনে কালভার্ট নির্মাণ শুরু করেছে। আগামী বর্ষার আগে দপ্তর কাজ শেষ করতে চাইছে। এর আগে হাসপাতাল মোড়ের কাছে একইভাবে কালভার্ট তৈরি হয়েছে।

সরকারি উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও কেন যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ না করেই কাজ শুরু হল, তা নিয়ে ক্ষোভ ছড়িয়েছে জনতার মধ্যে। রাস্তাটি খোঁড়ার পর সেখান দিয়ে পাশাপাশি দুটি বাস চলাচলের উপায় নেই। হকার্স কর্নারে একটি কাপড়ের দোকানের কর্মী সঞ্জয় রাহার কথায়, ‘বড় কোনও যানবাহনই চলতে দেওয়া উচিত নয়। জরুরি পরিস্থিতিতে অ্যাম্বুল্যান্স বা দমকলের ইঞ্জিনকেও হয়তো আটকে থাকতে হবে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *