Scottish Church Faculty Renews Historic Ogilvy Constructing

Scottish Church Faculty Renews Historic Ogilvy Constructing

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


সময় বহমান, কিন্তু কিছু ইতিহাস স্থিরচিত্রের মতো থেকে যায়। উত্তর কলকাতার ছিমছাম হ্যারিসন রোডের মোড় পেরিয়ে বিধান সরণি ধরলেই চোখে পড়ে সেই স্থাপত্য। ১৯৬ বছরের প্রাচীন স্কটিশ চার্চ কলেজ। সময়ের দাবি মেনে সেই ঐতিহ্যেই এবার লাগল আধুনিকতার ছোঁয়া। একদা যা ছিল ছাত্রদের কলকাকলিতে মুখরিত ওগিলভি হোস্টেল, আজ তা-ই আত্মপ্রকাশ করল এক অত্যাধুনিক শিক্ষা ভবন বা ‘ওগিলভি বিল্ডিং’ রূপে। শুক্রবার এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই পুনর্নির্মিত ভবনের আনুষ্ঠানিক দ্বারোদ্ঘাটন হল। চার্চ অফ নর্থ ইন্ডিয়ার মডারেটর ও কলকাতার বিশপ তথা কলেজ গভর্নিং বডির প্রেসিডেন্ট পরিতোষ ক্যানিং এই নবরূপের উদ্বোধন করেন।

কলেজ গভর্নিং বডির প্রেসিডেন্ট পরিতোষ ক্যানিং এই নবরূপের উদ্বোধন করেন।

আরও পড়ুন:

নতুন ওয়াইন পুরোনো বোতলে রাখার মতোই এই সংস্কার। ১৯১৪ সালে তৈরি এই ভবনের পরতে পরতে জড়িয়ে রয়েছে ইতিহাস। ১৯১৫ সালের জুলাই মাসে যাত্রা শুরু করেছিল ওগিলভি হোস্টেল। ১৮৪৫ থেকে ১৮৭১ সাল পর্যন্ত জেনারেল অ্যাসেম্বলি’স ইনস্টিটিউশনের অধ্যক্ষ জেমস ওগিলভির স্মৃতিতে এই নামকরণ। দীর্ঘ ২৬ বছর যিনি ভারতের মাটিতে শিক্ষার আলো জ্বেলেছেন। কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সংস্কারের সময় এই ঐতিহাসিক গুরুত্বকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। অক্ষুণ্ণ রাখা হয়েছে ভবনের প্রাচীন পাথরের সিঁড়ি। সযত্নে সংরক্ষিত হয়েছে কেন্দ্রীয় ত্রিকোণাকার পেডিমেন্ট এবং সেই সময়ের কারুকার্যময় পাথরের খিলানযুক্ত প্রবেশদ্বার। বাইরে থেকে দেখলে মনে হবে ইতিহাস থমকে দাঁড়িয়ে, অথচ ভেতরে পা রাখলেই আধুনিকতার ছোঁয়া।

১৯১৪ সালে তৈরি এই ভবনের পরতে পরতে জড়িয়ে রয়েছে ইতিহাস।

কলেজের অধ্যক্ষ ড. মধুমঞ্জরী মন্ডল জানান, স্থানসংকুলানের কারণেই এই নতুন পরিকাঠামো। আপাতত এখানে বি.কম এবং বি.বি.এ বিভাগের ক্লাস স্থানান্তরিত হবে। নতুন শিক্ষানীতির (NEP) বহুমাত্রিক চাহিদা পূরণে এই ভবন সাহায্য করবে। এখানে রয়েছে ৫০ থেকে ৮০ আসনের আধুনিক শ্রেণিকক্ষ, স্মার্ট বোর্ডযুক্ত সেমিনার রুম, ইনকিউবেশন সেন্টার, কম্পিউটার ল্যাব ও লাইব্রেরি। ক্যাম্পাস জুড়েই রয়েছে সবুজ ঘাসে মোড়া উদ্যান ও ক্যান্টিন। স্বামী বিবেকানন্দ বা নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর স্মৃতিধন্য এই প্রাঙ্গণের গৌরবকে অক্ষুণ্ণ রেখেই আগামী প্রজন্মের পঠনপাঠনের বৃত্তকে আরও প্রসারিত করাই কলেজের লক্ষ্য। আর এই কর্মযজ্ঞে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেছেন দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে থাকা কলেজের প্রাক্তনীরা। তাঁদেরই আর্থিক অনুদান ও আন্তরিক সহযোগিতায় প্রাণ ফিরে পেল ওগিলভি। ঐতিহ্য ও আধুনিকতার এই মেলবন্ধন আগামী দিনে কলকাতার শিক্ষা মানচিত্রে এক উজ্জ্বল মাইলফলক হয়ে থাকবে।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *