দিয়া মির্জা, নামটা শুনলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে ‘ রেহেনা হ্যা তেরে দিলমে’-তে আর.মাধবনের সঙ্গে সেই অন স্ক্রিন রসায়ন। দৃশ্যায়ন থেকে গান, প্রতিটি মুহূর্ত আজও সিনেপ্রেমীদের কাছে বড্ড নস্ট্যালজিক। একাধিক হিন্দি ছবিতে দিয়ার সাবলীল অভিনয় বারবার দাগ কেটেছে দর্শকের মনে। ছকভাঙা চরিত্রে অভিনয় করে সফলপ অভিনেত্রী হিসেবে নিজের জাত চিনিয়েছেন দিয়া মির্জা। সম্প্রতি পরিচালক-নৃত্য পরিচালক ফারহা খানকে মুম্বইয়ের বাড়িতে আমন্ত্রণ জানান অভিনেত্রী। ইউটিউব চ্যানেলের ‘হাউজ ট্যুর’-এর জন্যই এই বিশেষ আমন্ত্রণ।
কথাবার্তার মাঝে চলে পেটভুজোও। স্বাস্থ্যকর কলার পাউরুটি (ব্যানানা ব্রেড) বানাতে বানেতেই স্মৃতির সাগরে ডুব দেন দিয়া। তখনই অভিনেত্রীর মুখে শোনা যায় সলমনের কীর্তি! ভাইজানের একটি মন্তব্যে তাজ্জব বনে গিয়েছিলেন দিয়া মির্জা। কিশোর বয়সে এমন এক চরিত্রের প্রস্তাব দিয়েছিলেন যা শুনে ভাষা হারিয়েছিলেন অভিনেত্রী। ‘তুম কো না ভুল পায়েঙ্গে’ ছবির শুটিং চলাকালীন সলমন একবার ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। পর্দায় তাঁর মায়ের চরিত্রে দেখতে চান দিয়া মির্জাকে।
আরও পড়ুন:

সেই মুহূর্তের কথা স্মরণ করে দিয়া বলেন, তখন তাঁর বয়স মাত্র উনিশ বছর। একটি দৃশ্যের শুটিংয়ের অপেক্ষায় তিনি সলমন ও রাজপাল যাদবের সঙ্গে বসে ছিলেন। তখন লক্ষ্য করেছিলেন, সলমনের মায়ের চরিত্রে অভিনয় করা অভিনেত্রীটি বেশ তরুণী এবং সম্প্রতি সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। দিয়ার কথায়, “আমি ওকে বলেছিলাম, উনি নিশ্চয়ই খুবই কমবয়সী। তখন সলমন বলেছিল, চিন্তা করো না একদিন তোমার সঙ্গেও এমন হবে।”

সেই মন্তব্য শুনে কিছুক্ষণের জন্য হতভম্ব হয়ে গিয়েছিলেন। এখন অবশ্য পুরনো দিনের কথা মনে পড়লে হাসি থামাতে পারেন না। ফারহা যখন বলেন, সলমনের সঙ্গে তাঁর আরও একবার জুটি বাঁধা উচিত তখন মজা করে দিয়া বলেন, এখন সলমন তাঁর চেয়ে অনেক কমবয়সী অভিনেত্রীদের সঙ্গে কাজ করেন। সলমনকে নিয়ে কথা কী আর এত তাড়াতাড়ি শেষ হয়!

ফারহা ফের মজা করে বলেন, আসন্ন ছবি ‘মাতৃভূমি’-তে মায়ের চরিত্রের জন্য কাউকে খোঁজেন, তাহলে দিয়াকে ফোন করতে পারেন। ভ্লগে ফারহা তাঁর রাঁধুনি দিলীপকে মজা করে বলেন যে দিয়া নাকি সালমানের মায়ের চরিত্রে অভিনয় করছেন। তখন দিলীপ পালটা বলেন, “কখনই নয় দিয়া বরং সলমনের ছোট বোনের চরিত্রে অভিনয় করেত পারেন।” প্রত্যুত্তরে ফারহা হেসে বলেন, “নায়িকা কেন হতে পারবে না? ছোট বোনই বা বলতে হবে কেন?”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর

