ভাইজ্যাগঃ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতেছেন একসঙ্গে। জুটিতে বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পূরণ ২০২৪। রক্তচাপ বাড়ানো ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে উৎসবে মেতেছিল গোটা দেশ। সবকিছু ছাপিয়ে বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মার আবেগঘন উচ্ছ্বাস। পরস্পরকে জড়িয়ে ধরা, বারবার একফ্রেমে ধরা দেওয়া থেকে ডান্ডিয়া খেলা-ভারতীয় ক্রিকেটের অন্যতম স্মরণীয় দৃশ্য।
মাঝে লম্বা সময় অতিক্রান্ত। যদিও বার্বাডোজ স্টেডিয়ামের খেতাবি যুদ্ধের সেই রাতের কথা ভাবলে এখনও উত্তেজনা অনুভব করেন রোহিত। অনুভব করেন জয়ের পর বিরাটের আবেগভরা আলিঙ্গন। ভাইজ্যাগে ওডিআই সিরিজের নির্ণায়ক ম্যাচের আগে আইসিসি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সেই আবেগ সমর্থকদের সঙ্গে ভাগ করে নিলেন হিটম্যান।
বছর ঘুরলে ঘরের মাঠে টি২০ বিশ্বকাপ। কুড়িকুড়ি থেকে অবসর নিলেও অন্য ভূমিকায় রোহিত (বিশ্বকাপের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর)। আপাতত ওডিআই সিরিজের চ্যালেঞ্জ। তার মাঝেই রোহিত বলেছেন, ‘আমাদের দুইজনের ওপরই প্রত্যাশার চাপ ছিল। সবার দাবি ছিল বিশ্বকাপ জয়। দলের বাকিরাও জয়ের জন্য মরিয়া ছিল। সিনিয়ার শব্দ ব্যবহার অপছন্দ হলেও বাস্তব হল, দলের সবচেয়ে ‘সিনিয়ার’ সদস্য ছিলাম আমরাই। ফলে প্রত্যাশাও বেশি। লক্ষ্যপূরণের পর আবেগ তাই নিয়ন্ত্রণ করতে পারিনি আমরা।’
বিরাট আর রোহিত প্রায় সমসাময়িক। হিটম্যান বলেছেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে দুজনে একসঙ্গে খেলেছি। শুধু আইপিএলে এক টিমে খেলার সুযোগ হয়নি। বিরাট যখন ভারতীয় দলে প্রথমবার আসে, দলে আমার সবে এক বছর হয়েছে। ২০২৪ বিশ্বকাপের আগে দুজনকেই অনেক হতাশার সম্মুক্ষীণ হতে হয়েছে। জানতাম এটাই শেষ বিশ্বকাপ। তাই এই সাফল্য বিশেষ ছিল আমাদের জন্য।’
শেষ টি২০ বিশ্বকাপের জেতার সুযোগ তাই কোনওভাবে হাতছাড়া করতে রাজি ছিলেন না রোহিত-বিরাটরা। মরিয়া তাগিদের ফল-দক্ষিণ আফ্রিকার মুখের গ্রাস কেড়ে নিয়ে ফাইনালে অবিশ্বাস্য জয়। ২০০৭ সালের পর বারবার টি২০ বিশ্বকাপে ব্যর্থতার আক্ষেপ মুছে সেরার শিরোপা। আর সেই স্মরণীয় মুহূর্তে আবেগের প্রতিফলন রোকোর আলিঙ্গনের দৃশ্যে।
