উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal Meeting Election 2026) প্রার্থী তালিকা নিয়ে এবার আড়াআড়ি বিভক্ত বঙ্গ বিজেপি (BJP)। দলের দীর্ঘদিনের কর্মী এবং মেদিনীপুরের দাপুটে নেতা দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) স্ত্রী রিঙ্কু মজুমদারকে (Rinku Majumdar) কোনও আসনেই প্রার্থী করেনি বিজেপি। এর ফলেই ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন তিনি। সরাসরি দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের একাংশ এবং মনোনীত প্রার্থীদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন রিঙ্কুদেবী।
রিঙ্কু মজুমদারের দাবি, রাজারহাট-নিউটাউন এবং বীজপুরের মতো গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে বিজেপি যাঁদের প্রার্থী করেছে, তাঁদের ভাবমূর্তি স্বচ্ছ নয়। তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানান, রাজারহাট-নিউটাউনের প্রার্থী পীযূষ কানোরিয়া আর্থিক তছরুপে অভিযুক্ত। অন্যদিকে, বীজপুরের প্রার্থী সুদীপ্ত দাসের বিরুদ্ধে রয়েছে খুনের মামলা। রিঙ্কুদেবীর প্রশ্ন, “কোন সমীক্ষার ভিত্তিতে এমন ‘দাগি’ ব্যক্তিদের টিকিট দিল দল?”
দলের অন্দরে গুঞ্জন ছিল, পরিবারতন্ত্র এড়াতেই দিলীপ-জায়াকে টিকিট দেওয়া হয়নি। এর পাল্টায় রিঙ্কুদেবী প্রশ্ন তুলেছেন, অর্জুন সিং এবং তাঁর ছেলে পবন সিং যদি একইসঙ্গে টিকিট পেতে পারেন, তবে তাঁর ক্ষেত্রে কেন এই নিয়ম খাটছে? তিনি জানান, “আমি তো মিসেস ঘোষ হয়েছি কয়েক মাস আগে, কিন্তু দলের কাজ করছি বহু বছর ধরে। আজ টিকিট দেওয়ার সময় কেন আমাকে ব্রাত্য করা হলো?”
রিঙ্কু মজুমদার জানান, তিনি কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সুনীল বনশালকে সমস্ত তথ্য জানিয়েছেন। বনশালজি প্রথমে প্রমাণ পেলে প্রার্থী বদলের আশ্বাস দিলেও পরে তা এড়িয়ে যান। এই ঘটনায় মানসিকভাবে আহত রিঙ্কুদেবী এখন নিজেকে দলের মধ্যে ব্রাত্য বলেই মনে করছেন।
