উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: রূপচাঁদা মাছ যেমন দেখতে সুন্দর, খেতেও তেমন সুস্বাদু। ফ্রাই বা ঝাল—দুটোই দারুণ লাগে। তবে জিভে জল আনা ‘রূপচাঁদা ফিশ তন্দুরি ফ্রাই’ বা ‘মশলাদার রূপচাঁদা ফ্রাই’ এর রেসিপিটি সবথেকে জনপ্রিয়।
মশলাদার রূপচাঁদা ফ্রাই
উপকরণ:
-
মাছ: ২টো আস্ত রূপচাঁদা মাছ (মাঝখানে ৩-৪টি গভীর করে চিরে নেওয়া)।
-
ম্যারিনেশনের জন্য:
-
লেবুর রস: ১ টেবিল চামচ।
-
আদা-রসুন বাটা: ১ টেবিল চামচ।
-
লঙ্কা গুঁড়ো: ১ চা চামচ।
-
হলুদ গুঁড়ো: আধা চা চামচ।
-
জিরে ও ধনে গুঁড়ো: ১ চা চামচ।
-
গোলমরিচ গুঁড়ো: সামান্য।
-
গরম মশলা গুঁড়ো: আধা চা চামচ।
-
বেসন বা কর্নফ্লাওয়ার: ২ টেবিল চামচ (মুচমুচে ভাব আনতে)।
-
সর্ষের তেল: ২ টেবিল চামচ।
-
নুন: স্বাদমতো।
-
প্রণালী:
১. মাছ পরিষ্কার করা: প্রথমে মাছ ভালো করে ধুয়ে জল ঝরিয়ে নিন। মাছের গায়ে যে চেরা অংশগুলো করেছেন, তাতে মশলা ভালো ঢুকবে। ২. ম্যারিনেশন: একটি পাত্রে লেবুর রস, লবণ, আদা-রসুন বাটা এবং সমস্ত শুকনো মশলা একসঙ্গে অল্প সর্ষের তেল দিয়ে মিশিয়ে একটি ঘন পেস্ট তৈরি করুন। ৩. মশলা মাখানো: এবার মাছের গায়ে এবং চেরা অংশগুলোর ভেতরে খুব ভালো করে মশলা মাখিয়ে দিন। অন্তত ৩০ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা ঢেকে রেখে দিন (ফ্রিজে রাখলে আরও ভালো)। ৪. ভাজা: ফ্রাইপ্যানে সর্ষের তেল গরম করুন। তেল ধোঁয়া ওঠা গরম হলে সাবধানে মাছগুলো ছেড়ে দিন। ৫. আঁচ নিয়ন্ত্রণ: মাঝারি আঁচে এক পিঠ ৫-৭ মিনিট ভাজুন। লালচে ও মুচমুচে হয়ে এলে উল্টে দিয়ে অন্য পিঠও একইভাবে ভাজুন। ৬. পরিবেশন: মাছ ভাজা হয়ে গেলে ওপরে সামান্য চাট মশলা ছড়িয়ে দিন। সাথে গোল করে কাটা পেঁয়াজ, ধনেপাতার চাটনি আর কাঁচা লঙ্কা দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।
টিপস: মাছ ভাজার সময় খুব বেশি নাড়াচাড়া করবেন না, কারণ রূপচাঁদা মাছ খুব নরম হয়। এক পিঠ পুরোপুরি ভাজা হলে তবেই উল্টাবেন।
