উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: নিরামিষ দিনেও ভাতের পাতে বিরিয়ানির মতো রাজকীয় স্বাদ ও সুগন্ধ আনা সম্ভব। ভারতীয় পাকশালের বিভিন্ন কোণায় লুকিয়ে আছে এমন কিছু ঐতিহ্যবাহী পোলাও, যা স্বাদে-গন্ধে আমিষ বিরিয়ানিকেও টেক্কা দিতে পারে। এবার থেকে নিরামিষ খাওয়ার দিনে এই ৩টি বিশেষ পদের স্বাদ নিতে পারেন:
১. শাহী নব রতন পোলাও
উপকরণ: বাসমতী চাল, ৯ রকমের সবজি ও ফল (গাজর, মটরশুঁটি, ফুলকপি, পনির, কাজু, কিশমিশ, আনারস, আপেল, আঙুর), ঘি, গরম মশলা, জাফরান মেশানো দুধ এবং চিনি। পদ্ধতি: প্রথমে বাসমতী চাল আধা-সেদ্ধ করে জল ঝরিয়ে নিন। সবজি ও পনির ঘিয়ে হালকা ভেজে তুলে রাখুন। এবার হাঁড়িতে ঘি দিয়ে গোটা গরম মশলা ফোড়ন দিন। তাতে ভাত এবং ভাজা সবজিগুলো স্তরে স্তরে সাজান। ওপর থেকে জাফরান দুধ, চিনি এবং ফলের টুকরোগুলো ছড়িয়ে দিন। অল্প আঁচে ১০-১৫ মিনিট ‘দম’-এ রাখলেই তৈরি শাহী নব রতন পোলাও।
২. দক্ষিণী মেথি-মটর পোলাও
উপকরণ: বাসমতী চাল, তাজা মেথি পাতা (কুচানো), কচি মটরশুঁটি, কাঁচা লঙ্কা, আদা-রসুন বাটা, নারকেলের দুধ (ঐচ্ছিক), ঘি এবং গোটা গরম মশলা। পদ্ধতি: প্যানে ঘি গরম করে তাতে এলাচ, লবঙ্গ ও দারুচিনি ফোড়ন দিন। এবার মেথি পাতা ও মটরশুঁটি দিয়ে ভালো করে কষিয়ে নিন। আদা-রসুন বাটা ও কাঁচা লঙ্কা দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করে ধুয়ে রাখা চাল দিয়ে দিন। পরিমাণমতো জল (বা নারকেলের দুধ) ও নুন দিয়ে ঢাকা দিন। চাল সেদ্ধ হয়ে জল শুকিয়ে ঝরঝরে হয়ে এলে নামিয়ে রায়তার সাথে পরিবেশন করুন।
৩. উত্তর ভারতীয় তেহরি
উপকরণ: চাল, আলু ও ফুলকপি (বড় টুকরো করা), মটরশুঁটি, দই, হলুদ গুঁড়ো, গরম মশলা গুঁড়ো, ঘি, তেজপাতা এবং ধনেপাতা কুচি। পদ্ধতি: কুকারে বা হাঁড়িতে ঘি গরম করে তেজপাতা ফোড়ন দিন। আলু ও ফুলকপি লাল করে ভেজে তাতে হলুদ ও গরম মশলা দিন। এবার ফেটানো দই দিয়ে মশলা কষিয়ে চাল ও মটরশুঁটি দিয়ে দিন। চালের দ্বিগুণ পরিমাণ জল দিয়ে আঁচ কমিয়ে রান্না করুন। রান্নার শেষে ওপর থেকে ঘি ও ধনেপাতা কুচি ছড়িয়ে দিন। সোনালী রঙের এই সুগন্ধি তেহরি বিরিয়ানিকেও টেক্কা দেবে।
