Raiganj | ৫০০ আবেদন, নাগরিকত্ব একজনকে, সিএএ ক্যাম্প কি আইওয়াশ? 

Raiganj | ৫০০ আবেদন, নাগরিকত্ব একজনকে, সিএএ ক্যাম্প কি আইওয়াশ? 

শিক্ষা
Spread the love


রাহুল দেব, রায়গঞ্জ: নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের (সিএএ) (CAA) শংসাপত্র পেতে রায়গঞ্জ (Raiganj) শহরের সিএএ কার্যালয় থেকে আবেদন করেছিলেন পাঁচ শতাধিক মানুষ। ছয় মাসের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও শংসাপত্র পেয়েছেন মাত্র একজন। বাসিন্দাদের মধ্যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, আদৌ শংসাপত্র মিলবে কি না তা নিয়ে। এতগুলো আবেদন শুধুমাত্র ‘আইওয়াশ’ নয় তো! সাধারণ মানুষের মধ্যেই ঘুরপাক খাচ্ছে এই প্রশ্ন।

রায়গঞ্জ শহরের মধ্যে বেশ কয়েকটি সিএএ কার্যালয় খোলা হয়েছে। বিজেপির নেতা-কর্মীরাই যে সেই কার্যালয়গুলো পরিচালনা করছেন তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। সবচেয়ে পুরোনো সিএএ কার্যালয় রয়েছে শহরের কলেজপাড়ায় রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক তথা বিজেপির উদ্বাস্তু সেলের উত্তরবঙ্গের ইনচার্জ বাবুলাল বালার বাড়িতে। সেখান থেকেই পাঁচ শতাধিক মানুষ সিএএ’র আবেদন করেছেন বলে দাবি বাবুলালের। কিন্তু এতদিন পরে শংসাপত্র প্রাপ্তি ঘটেছে মাত্র একজনের। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বিধানসভা নির্বাচনের আগে শহরে এত সিএএ’র কার্যালয় খোলা আসলে বিজেপি নেতাদের নিজের শক্তি বা ক্ষমতা যাচাই করার শামিল। যদিও বাবুলাল নিজেও সিএএ’র আবেদন করে এখনও শংসাপত্র পাননি বলে খবর। বিজেপির উত্তরবঙ্গের উদ্বাস্তু সেলের ইনচার্জ বলেন, ‘অনেক মাস হয়ে যাওয়ার পর শংসাপত্র না পাওয়ায় সত্যিই উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। শীঘ্রই বিজেপির উদ্বাস্তু সেলের তরফে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করে সমস্ত বিষয় জানানো হবে। খুব দ্রুত যাতে সিএএ শংসাপত্র ইস্যু করা হয় সেই বিষয়টিও জানানো হবে।’

কেন্দ্র সরকারের অধীনস্থ ডিরেক্টরেট অফ সেনসাস অপারেশনস থেকে সিএএ’র শংসাপত্র ইস্যু করা হয়। এক্ষেত্রে মেল মারফত শংসাপত্র পাঠানো হয় সরকারের তরফে। তবে সিএএ’র আবেদন করার পরে কেন্দ্রীয় সরকারের আইবি’র তরফে আবেদনকারীর ভেরিফিকেশনও করা হয়। সেই সমস্ত বিষয় সম্পন্ন হলেও এখনও শংসাপত্র মেলেনি বলে দাবি আবেদনকারীদের।

রায়গঞ্জ সংলগ্ন দুর্গাপুর এলাকার বাসিন্দা তপন বিশ্বাসের কথায়, ‘সিএএ’র জন্য আবেদন করেছি বেশ কয়েক মাস হল। কিন্তু এখনও শংসাপত্র মেলেনি। যদি শংসাপত্র দিতে দ্রুততার সঙ্গে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় তাহলে আমার মতো অনেকেই উপকৃত হবেন।’

ডালখোলার (Dalkhola) সূর্যাপুর এলাকার বাসিন্দা বিচিত্র বাড়ই বলেন, ‘কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে নাগরিকত্ব প্রদানের জন্য খুবই ভালো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। রায়গঞ্জের অধ্যাপক বাবুলাল বালার বাড়িতে গিয়েই আমরা আবেদন করেছিলাম। কিন্তু এখনও কেন শংসাপত্র পেলাম না তা স্পষ্ট নয়।’ সমস্ত তথ্য প্রদান করা সত্ত্বেও শংসাপত্র পেতে দেরি কেন হবে সেই প্রশ্ন উঠছে মতুয়াদের সম্প্রদায়ের অন্দরেই।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *