উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: সবজি হিসেবে মুলো খাওয়া হলেও ডাঁটিতে লেগে থাকা পাতা ফেলে দেন অনেকেই। তবে অনেকে এই শাক ভেজে বা চচ্চড়ি করেও খান। এই মুলোশাকে (Radish Leaves) কিন্তু রয়েছে প্রচুর পুষ্টিগুণ। ভিটামিন সি, কে, আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম, ফাইবার, প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, আয়রনে ভরপুর মুলোশাক। তবে মুলোশাক ভেজে বা চচ্চড়ি ছাড়াও অন্যরকমভাবেও খাওয়া যেতে পারে।
অমলেট
মুলোশাক ধুয়ে মিহি করে কুচিয়ে নিন। এরপর কড়াইয়ে মাখন বা সাদা তেল দিয়ে রসুন কুচি, শুকনো লংকা ফোড়ন দিয়ে, শাকটি হালকা নাড়াচাড়া করে নিন। স্বাদমতো নুন যোগ করুন। একটি পাত্রে ডিমের সঙ্গে অল্প দই, স্বাদমতো নুন দিয়ে গুলে নিন। কড়াইয়ে তেল দিয়ে অমলেট বানান। অমলেটের মধ্যে পুর হিসেবে যোগ করুন মুলো শাক, পেঁয়াজ, লংকা। দিতে পারেন চিজও। তারপর অমলেট আড়াআড়ি ভাঁজ করে দিন।
স্যুপ
মুলোশাক দিয়ে ঘন সবুজ স্যুপ বানানো যায়। এর জন্য প্রথমে কড়াইয়ে তেল দিয়ে রসুন কুচি নাড়াচাড়া করে নিন। পাতলা করে কাটা পেঁয়াজ, মুলো শাক, পাতলা করে কাটা মুলো, কড়াইশুঁটি হালকা নাড়াচাড়া করে নিন। যোগ করুন স্বাদমতো নুন। অল্প জল দিয়ে মিশ্রণটি সেদ্ধ করে নিন। তারপরে সেটি মিক্সারে ঘুরিয়ে নিন। এরপর কড়াইয়ে অল্প মাখন এবং থেঁতো করা গোলমরিচ যোগ করুন। মুলোশাকের মিশ্রণটি দিয়ে নাড়াচাড়া করতে থাকুন। যোগ করুন অল্প জল এবং দুধ। ঘন হয়ে এলে নামিয়ে নিন। যোগ করতে পারেন ফ্রেশ ক্রিম।
স্যান্ডউইচ স্প্রেডার
মুলোশাক কেটে ধুয়ে নিন। মিক্সারে শাক, রসুন, কাজুবাদাম অলিভ অয়েল, স্বাদমতো নুন, পাতিলেবুর রস যোগ করে ঘুরিয়ে নিন। তৈরি হবে সবুজ মিশ্রণ। এটি টোস্টের সঙ্গে বা স্যান্ডউইচে পুর ভরার আগে পাউরুটিতে মাখিয়ে নিতে পারেন। ভাজাভুজির সঙ্গে চাটনি হিসাবেও এটি খাওয়া যেতে পারে।
