Rabindranath Tagore relevance in fashionable world | পথ প্রদর্শক হিসেবে রবীন্দ্রনাথ কতটা প্রাসঙ্গিক? কবির জন্মদিনে মনোজ্ঞ আলোচনায় বিশিষ্টরা

Rabindranath Tagore relevance in fashionable world | পথ প্রদর্শক হিসেবে রবীন্দ্রনাথ কতটা প্রাসঙ্গিক? কবির জন্মদিনে মনোজ্ঞ আলোচনায় বিশিষ্টরা

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: বর্তমান বিশ্বের অস্থিরতা আর যান্ত্রিকতার ভিড়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (Rabindranath Tagore relevance in fashionable world) কি আজও আমাদের পথপ্রদর্শক হতে পারেন? সোমবার পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্র প্রেক্ষাগৃহে আয়োজিত এক মনোজ্ঞ অনুষ্ঠানে এই প্রশ্নটিকেই নতুনভাবে বিশ্লেষণ করলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বিশেষজ্ঞরা। বাংলা বিভাগ এবং IQAC-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের মূল সুর ছিল— রবীন্দ্রনাথ কেবল অতীতের কোনো অধ্যায় নন, বরং তিনি বর্তমান ও ভবিষ্যতের এক অপরিহার্য দর্শন।

অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিলেন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও প্রাক্তন উপাচার্য অধ্যাপক ড. পবিত্র সরকার। তিনি তাঁর বক্তব্যে ‘মানব অস্তিত্ব ও রবীন্দ্রনাথ’-এর নিবিড় যোগসূত্রটি ব্যাখ্যা করেন। অন্যদিকে, অধ্যাপক ড. হিমবন্ত বন্দ্যোপাধ্যায় কবির মৃত্যু চেতনা নিয়ে আলোচনা করে উপস্থিত শ্রোতাদের ভাবিয়ে তোলেন। বর্তমান প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে রবীন্দ্রনাথের উপযোগিতা নিয়ে অমোঘ প্রশ্ন তুলে ধরেন অধ্যাপক ড. সৌমিত্র বসু। তাঁদের সম্মিলিত বক্তৃতায় উঠে আসে যে, সমাজ ও মানবিকতার সংকটে রবীন্দ্রনাথ আজও সমসাময়িক।

প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন উপাচার্য ড. দেবব্রত মিত্র। উদ্বোধনী ভাষণে তিনি বলেন, “রবীন্দ্রনাথের দর্শন বর্তমান সময়ের প্রতিটি সংকটে আমাদের ঢাল হয়ে দাঁড়াতে পারে।” বাংলা বিভাগের প্রধান ড. সোমা ভদ্র রায় জোর দেন পাঠ্যসূচির বাইরে বেরিয়ে মানবিক রবীন্দ্রনাথকে চর্চা করার ওপর। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত নিবন্ধক ড. শুভ্রা বিশ্বাস সহ বিভিন্ন বিভাগের অধ্যাপক ও উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা।

আলোচনা সভার পাশাপাশি বাংলা বিভাগের ছাত্রছাত্রী ও গবেষকদের পরিবেশনায় আয়োজিত হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। কবিতা আবৃত্তি, পাঠ এবং রবীন্দ্রসঙ্গীতের মাধ্যমে কবিগুরুকে শ্রদ্ধা জানানো হয়। বিশেষ আকর্ষণ ছিল গীতি-আলেখ্য ‘ঋতুরঙ্গ’, যা দর্শকদের মুগ্ধ করে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, নিছক আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং নতুন প্রজন্মের পড়ুয়াদের মনে রবীন্দ্র-চেতনার বীজ বপন করাই ছিল এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। রবীন্দ্রনাথের গান আর কবিতা যেভাবে আজও তরুণ প্রজন্মের আবেগ আর প্রতিবাদের ভাষা হয়ে উঠছে, তাই বারবার ধ্বনিত হয়েছে প্রতিটি বক্তার কণ্ঠে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *