Property confiscated of accused in unlawful poppy commerce case in Purulia

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


রাজ্যের নির্দেশ মেনে জঙ্গলমহল পুরুলিয়ায় এই প্রথম মাদক মামলায় অভিযুক্তর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল পুরুলিয়া জেলা পুলিশ। রাজ্যের আদেশনামা হাতে পাওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বৃহস্পতিবার দুপুরে পুরুলিয়ার বাঘমুন্ডিতে ওই মামলায় অভিযুক্ত-র ৪০ লাখের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। ফলে আইনগতভাবে ওই সম্পত্তির কেনাবেচা, হস্তান্তর করা যাবে না। রাজ্যে পালাবদলের পর সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী এই ‘ফিনান্সিয়াল ইনভেস্টিগেশন’ এই জেলায় দ্বিতীয়। রেল শহর আদ্রায় একটি প্রতারণা মামলায় এই কাজ করেছিল পুরুলিয়া জেলা পুলিশ। বৃহস্পতিবার অভিযুক্তর বাড়ি বাঘমুন্ডির কুঁচি সরজামহাতুতে গিয়ে অভিযুক্ত-র সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেন পুরুলিয়ার পুলিশ সুপার কুমার শানি রাজ। 

পুরুলিয়ার পুলিশ সুপার কুমার শানি রাজ জানান, “রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ রয়েছে বিভিন্ন অপরাধের মামলা আইনি পদক্ষেপের সঙ্গে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা। আমরা সেই কাজ করছি।” অর্থাৎ আর্থিক অনুসন্ধানের বিষয়টিও দেখছে পুলিশ। পুরুলিয়া জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই অভিযুক্তের বাড়ি, জমি, মোটরবাইক ও ব্যাঙ্কের টাকাও বাজেয়াপ্ত হয়েছে। চলতি বছরের ৮ জুন বাঘমুণ্ডি থানার একটি মামলায় ২৬০.৬৭৭ কেজি পোস্তর খড় উদ্ধার হয়। এদিন পুলিশ সুপারের উপস্থিতিতেই অভিযুক্তের দু’টি বাজেয়াপ্ত সম্পত্তিতে নোটিস দেওয়া হয়। ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( অভিযান) বিদ্যাগর অজিঙ্কা অনন্ত, ঝালদা মহকুমা পুলিশ আধিকারিক গৌরব ঘোষ প্রমুখ।

আরও পড়ুন:

জেলা পুলিশ জানিয়েছে, কুঁচি গ্রামের ওই বাড়ির মূল্য ৩১ লক্ষ ৫৭ হাজার ৫০৮ টাকা। পরমটিকর মৌজায় ওই অভিযুক্তর ৮ ডেসিমেল জমি ও তার উপরে থাকা পুরনো কাঠামোর মূল্য ৬ লক্ষ ৪৬ হাজার ২৫০ টাকা। এ ছাড়াও মোটরবাইক ও ব্যাঙ্কে থাকা ৩ লক্ষ ২২ হাজার ৭১০ টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সব মিলিয়ে সম্পত্তির মূল্য ৪১ লক্ষ টাকারও বেশি। এনডিপিএস আইনের আওতায় এই পদক্ষেপ। সম্পত্তি স্থবির হওয়ার অর্থ বাড়ি ভেঙে দেওয়া বা কাউকে উচ্ছেদ করা নয়। আইনি প্রক্রিয়া চলাকালীন ওই সম্পত্তি বিক্রি, হস্তান্তর করা যাবে না।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *