Previous Malda | প্রতিস্থাপনের অপেক্ষায় সাতটি বট-পাকুড় গাছ

Previous Malda | প্রতিস্থাপনের অপেক্ষায় সাতটি বট-পাকুড় গাছ

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


কল্লোল মজুমদার, মালদা: পুরাতন মালদার (Previous Malda) বুলবুলচণ্ডী মোড় থেকে রেলগেট পর্যন্ত রাস্তা সম্প্রসারণ হচ্ছে। কিন্তু সেই জমিতে পড়ে যাচ্ছে সাতটি বট ও পাকুর গাছ। এবার সেই গাছগুলিকে তুলে নিয়ে গিয়ে অন্যত্র প্রতিস্থাপন করার উদ্যোগ নিয়েছে পিডব্লিউডি। প্রতিস্থাপনের দাবি তুলেছিলেন জেলার পরিবেশপ্রেমীরা। দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী দুই-একদিনের মধ্যে ওই গাছগুলি প্রতিস্থাপন করা হবে। ইতিমধ্যে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা কাজ শুরু করে দিয়েছে।

গত বছর মে মাসে ওই একই এলাকায় পাঁচটি বটগাছ তুলে প্রতিস্থাপন করা হয়েছিল শিলিগুড়ি থেকে মালদা শহরের প্রবেশমুখে সরকারি জমিতে। পরিবেশপ্রেমীদের দেখভালের ফলে সেই বটগাছগুলি আজ নতুনভাবে বেড়ে উঠতে শুরু করেছে।

পরিবেশপ্রেমী সংস্থা সহকারের সম্পাদক রূপক দেবশর্মা জানান, ‘আমরা আশা করব এভাবেই রাস্তা সম্প্রসারণে বা যে কোনও উন্নয়নের কাজে গাছ না কেটে প্রতিস্থাপনকেই প্রাধান্য দেবে স্থানীয় প্রশাসন।’

গত বছর রাস্তা সম্প্রসারণের সময় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায় ১২টি প্রাচীন বটগাছ। সেই সময় পিডব্লিউডির তরফে কাজগুলি কেটে ফেলার সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়। যা জানতে পেরে বিজ্ঞানমঞ্চ সহ পরিবেশপ্রেমী সংস্থা সহকারের কর্মীরা তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে আরটিই করেন। এরপর চলতে থাকে প্রতিবাদ। অবশেষে পরিবেশপ্রেমীদের দাবি মেনে নিতে বাধ্য হয় সরকার পক্ষ। পাঁচটি গাছ মাস দশেক আগে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। এবার বাকি গাছগুলিও প্রতিস্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে পিডব্লিউডির অ্যাসিস্ট্যান্ট এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার সুতীর্থ কর্মকার জানান, ‘ট্রান্সলোকেশনের একটি প্রক্রিয়া চলছে। উপযুক্ত জায়গা দেখে গাছগুলি বসানো হবে।’

যদিও পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞানমঞ্চের মালদা জেলার সভাপতি সুনীল দাসের মন্তব্য, ‘আমরা চেয়েছিলাম গাছগুলিকে বাঁচিয়ে রাখার প্রয়োজনে নকশা কিছুটা পরিবর্তন করে রাস্তা হোক। একান্তই না হলে সেই গাছগুলিকে অন্যত্র স্থানান্তর করা যেতে পারে। আমরা উন্নয়নের বিরোধী নই। কিন্তু এই গাছগুলি সরালে এলাকার পরিবেশের ক্ষতি হবে। তাই আমরা দাবি করব, গাছগুলিকে ওই জায়গাতে রেখেই যতটা সম্ভব রাস্তার সম্প্রসারণের কাজ হোক।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *