মালদা: মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় চলা সাম্প্রতিক অস্থিরতা নিয়ে এবার সরাসরি তৃণমূল কংগ্রেসকে কাঠগড়ায় তুললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। শনিবার মালদার জনসভা (Malda) থেকে তিনি বলেন, মালদা ও মুর্শিদাবাদে অনুপ্রবেশকারীরা সুপরিকল্পিতভাবে দাঙ্গা বাধানোর চেষ্টা করছে। এই পরিস্থিতিতে মহিলা সাংবাদিকও সুরক্ষিত নয়।’
এদিন বেলডাঙার ঘটনায় মহিলা সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রসঙ্গটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘মালদা এবং মুর্শিদাবাদে অনুপ্রবেশকারীরা দাঙ্গা বাধানোর চেষ্টা করছে। এমনকি মহিলা সাংবাদিকরা পর্যন্ত সুরক্ষিত নন, তাঁদের ওপর হামলা চালানো হচ্ছে। বাংলায় বিজেপি সরকার এলে অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে যে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নেওয়া হবে। শুধু তাই নয় বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় এলে অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে।’
অনুপ্রবেশকারীদের দেশ থেকে বের করে দেওয়ার প্রসঙ্গে এদিন আমেরিকার সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কড়াকড়ির উদাহরণ টানেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট বলেন, ‘তৃণমূল সরকার ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতির কারণে এই অনুপ্রবেশকারীদের সুরক্ষা দিচ্ছে, যার ফল ভুগতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।
রাজনৈতিক মহলের মতে, মালদা ও মুর্শিদাবাদের মতো সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে অনুপ্রবেশ এবং সাম্প্রতিক হিংসাকে ইস্যু করে প্রধানমন্ত্রী রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন তুলে দিলেন। বেলডাঙা হিংসার রেশ টেনেই তিনি বোঝাতে চেয়েছেন যে, রাজ্যে ডবল ইঞ্জিন সরকার না এলে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।
প্রধানমন্ত্রীর এই কড়া বার্তার পর রাজ্য রাজনীতিতে এখন নতুন করে শোরগোল শুরু হয়েছে। বেলডাঙা ইস্যু যে আগামী দিনেও বিজেপির অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক হাতিয়ার হতে চলেছে, মোদির এদিনের ভাষণেই তা পরিষ্কার।
