ইরান যুদ্ধের জ্বালানি সংকটে ভুগছে দেশ। এই অবস্থায় মন্ত্রীদের সঙ্গে নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের পর্যালোচনা বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সূত্রের খবর, বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশে তেল, গ্যাসের চাহিদা ও যোগানের অবস্থা ঠিক কেমন, বৈঠকে তা জানতে চান প্রধানমন্ত্রী। এছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে দেশের বিদ্যুৎ ও সার উৎপাদনে ঠিক কী প্রভাব পড়ছে, তা নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। পরিস্থিতি বুঝে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও হয়।
জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ, পেট্রোলিয়ামমন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী, কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান প্রমুখ। যুদ্ধের জেরে হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ হওয়ায় দেশে জ্বালানি আমদানি স্বাভাবিক নেই। এই বিষয়ে মন্ত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন মোদি। গ্যাস, অশোধিত তেল সরবরাহে কী প্রভাব পড়েছে, বিদ্যুৎ ও সার উৎপাদন কতটা ব্যাহত, যাবতীয় বিষয় খোঁজখবর করেন তিনি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার বিষয়েও কথা হয়।
আরও পড়ুন:
রান্নার গ্যাস পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে ইতিমধ্যে একাধিক পদক্ষেপ করেছে কেন্দ্র। যেমন, এখন নলবাহিত গ্যাস থাকলে সিলিন্ডার গ্যাস মিলছে না। অন্যদিকে গ্যাস বুকিং ২৫ দিনের ব্যবধানে করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি এলপিজি নির্ভরতা কমিয়ে পিএনজি (নলবাহিত) গ্যাস ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। রবিবার কেন্দ্রের তরফে দাবি করা হয়েছে, গৃহস্থালিতে রান্নার গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। বুকিং নিয়ে উদ্যেগও কমেছে। কিন্তু যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে কী হবে, তা এক বড়সড় প্রশ্ন।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
