Particular Intensive Revision | এসআইআর বৈঠক ঘিরে সংঘাত চরমে, ‘বেআইনি’ উপস্থিতির অভিযোগে মনোজ পন্থের গ্রেপ্তারির দাবি সুকান্তর

Particular Intensive Revision | এসআইআর বৈঠক ঘিরে সংঘাত চরমে, ‘বেআইনি’ উপস্থিতির অভিযোগে মনোজ পন্থের গ্রেপ্তারির দাবি সুকান্তর

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃ ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা সংশোধন বা এসআইআর (Particular Intensive Revision) প্রক্রিয়া নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক দানা বাঁধল। প্রাক্তন মুখ্যসচিব মনোজ পন্থের (Manoj Pant) হাইপ্রোফাইল বৈঠকে উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে সরাসরি তাঁর গ্রেপ্তারির দাবি জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। অন্যদিকে, নবান্নর দাবি— মনোজ পন্থ বর্তমানে মুখ্যমন্ত্রীর প্রধান সচিব এবং বৈধভাবেই তিনি বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

গত ২১ ফেব্রুয়ারি কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে এসআইআর সংক্রান্ত একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সুকান্ত মজুমদারের অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্টের নির্দিষ্ট নির্দেশে বলা ছিল বৈঠকে কারা উপস্থিত থাকতে পারবেন। সেই তালিকায় মনোজ পন্থের নাম ছিল না, কারণ তিনি এখন আর রাজ্যের মুখ্যসচিব নন। সুকান্তবাবুর দাবি, পন্থের উপস্থিতি আদালতের নির্দেশ লঙ্ঘন এবং বিচারব্যবস্থাকে প্রভাবিত করার চেষ্টা। তিনি বলেন, “শীর্ষ আদালতের অবমাননা করে পন্থ কীভাবে বৈঠকে থাকলেন? তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে গ্রেপ্তার করা উচিত।”

পাল্টা জবাবে নবান্ন জানিয়েছে, মনোজ পন্থ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫-এ মুখ্যসচিব পদ থেকে অবসর নেওয়ার পর বর্তমানে মুখ্যমন্ত্রীর প্রধান সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বর্তমান মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীর অনুমোদনেই তিনি ওই বৈঠকে প্রশাসনিক সহায়তা দিতে উপস্থিত ছিলেন। নবান্নর দাবি, প্রশাসনিক প্রটোকল মেনেই তিনি বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন এবং এতে কোনো আইনি ত্রুটি নেই।

মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্ট এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিয়েছে। ভোটার তালিকায় প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ তথ্যে অসঙ্গতি এবং ৩২ লক্ষ অনম্যাপড ভোটার নিয়ে তৈরি হওয়া জট দ্রুত কাটাতে ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড ও বিহার থেকে বিচারক বা বিচার বিভাগীয় আধিকারিক আনার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

  • ১০ মার্চ শুনানির দিন ধার্য থাকলেও জরুরি ভিত্তিতে এদিন শুনানি করে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ।
  • আদালত জানিয়েছে, দ্রুত কাজ শেষ করতে সিভিল জজদেরও এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত করা যাবে।
  • নির্বাচন কমিশনকে ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের অনুমতি দেওয়া হলেও, বাকি অভিযোগগুলির জন্য পরে ‘সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট’ বা অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশের ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।

একনজরে এসআইআর-এর বর্তমান পরিস্থিতি

বিষয় তথ্য (আনুমানিক)
তথ্যে অসঙ্গতি ১ কোটি ২০ লক্ষ
অনম্যাপড ভোটার ৩২ লক্ষ
বিচারপতি কমিটির নিষ্পত্তিযোগ্য অভিযোগ ৬০ লক্ষ
চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের তারিখ ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

প্রশাসনিক ও বিচারবিভাগীয় এই টানাপড়েনের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা কতটা স্বচ্ছ হবে, এখন সেটাই দেখার।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *