Pandabeswar | পরিবারের অজান্তেই ৫ সদস্যের এনুমারেশন ফর্ম অনলাইনে জমা! পাণ্ডবেশ্বরের ঘটনায় চাঞ্চল্য

Pandabeswar | পরিবারের অজান্তেই ৫ সদস্যের এনুমারেশন ফর্ম অনলাইনে জমা! পাণ্ডবেশ্বরের ঘটনায় চাঞ্চল্য

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


রাজা বন্দোপাধ্যায়,পাণ্ডবেশ্বর: পশ্চিম বর্ধমান জেলার পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভায় এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগ, এলাকার এক পরিবারের অজান্তেই তাঁদের বাড়ির ৫ জনের এনুমারেশন ফর্ম আপলোড হয়ে গেছে অনলাইনে। কিন্তু এমন ঘটনা ঘটল কীভাবে? সেই নিয়ে চিন্তায় রাতের ঘুম উড়েছে ওই পরিবারের সদস্যদের। কোনওরকম উপায় না দেখে শেষ পর্যন্ত পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক, দুর্গাপুরের মহকুমাশাসক এবং নির্বাচন কমিশনারের কাছে মেল মারফত অভিযোগ জানিয়েছেন ওই পরিবারের সদস্য বিনোদ কুমার সাহা।

এদিকে, এই ঘটনা নিয়ে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস ও বিরোধী দলের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়েছে। এই প্রসঙ্গে পান্ডবেশ্বরের প্রাক্তন বিধায়ক তথা বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তেওয়ারি অভিযোগ করেন, ‘এক পরিবারের সদস্যদের কাছে তাঁদের এনুমারেশন ফর্ম রয়েছে। অথচ তাঁদের অজান্তেই এই ফর্ম অনলাইনে আপলোড হয়ে গেল।’ এর পেছনে তৃণমূল কংগ্রেসের ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। অন্যদিকে, তৃণমূল নেতা উত্তম মুখোপাধ্যায় দাবি করেন, অহেতুক তৃণমূলকে বদনাম করার জন্য বিজেপি এই ধরনের রাজনীতি করছে।

প্রসঙ্গত, পাণ্ডবেশ্বরের ডিভিসি পাড়ার ৪৮ নম্বর বুথের বাসিন্দা বিনোদ কুমার সাহা। গত ৪ নভেম্বর থেকে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর ৪৮ নম্বর বুথের বিএলও অন্য বাড়ির মতো বিনোদ কুমার সাহার বাড়িতেও এনুমারেশন ফর্ম পৌঁছে দেন। সেই ফর্ম হাতে পাওয়ার পরে বিনোদবাবু সপরিবারে এক আত্মীয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে কলকাতায় চলে যান।এরই মধ্যে বিএলও দু-তিন দিন ফর্ম নেওয়ার জন্য বিনোদবাবুর বাড়িতে যান। কিন্তু বিনোদ বাবু বাড়িতে না থাকায় সেই ফর্ম সংগ্রহ করতে পারেননি তিনি। কিন্তু পরে, বিনোদবাবু বাড়িতে ফিরে এসে অনলাইনে পরিবারের এনুমারেশন ফর্ম পূরণ করতে যান। তখন তিনি জানতে পারেন যে, তাঁর পরিবারের পাঁচ সদস্যের এনুমারেশন ফর্ম অনলাইনে পূরণ হয়ে আপলোড হয়ে গেছে।

এবিষয়ে বিনোদবাবু বলেন, ‘আমি কলকাতায় বিয়ে বাড়ির অনুষ্ঠানে চলে গিয়েছিলাম। আমাকে আমাদের ৪৮ নম্বর বুথের বুথ লেভেল অফিসার ফোনে বলেন যে, আপনার বাড়ি দু-তিনবার ফর্ম নেওয়ার জন্য গিয়েছিলাম। আমি আপনাকে পাইনি। আমি তখন বিএলওকে বলি আমি বাড়ি গিয়ে সময় মতো অনলাইনে ফর্ম আপলোড করে দেব। তারপরে আমি বাড়ি ফিরে এসে রীতিমতো হতবাক। অনলাইনে ফর্ম আপলোড করতে গিয়ে দেখা যায় আমার বাড়ির ৫ সদস্যের ফর্ম আপলোড হয়ে গেছে।’  এদিকে, বিনোদ কুমার সাহার এই সমস্যা নিয়ে ৪৮ নম্বর বুথের বিএলও-র সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা করা হলে তিনি ফোন ধরেননি।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *