Palashbari | শতবর্ষের বট গাছ নিয়ে নস্টালজিয়ায় প্রবীণরা

Palashbari | শতবর্ষের বট গাছ নিয়ে নস্টালজিয়ায় প্রবীণরা

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


পলাশবাড়ি: যিনি বট গাছের চারা রোপণ করেছিলেন তিনি মারা গিয়েছেন প্রায় ত্রিশ বছর। তবে গাছটি এখনও দাঁড়িয়ে। বার্ধক্যের ছাপ পড়লেও যেন আরও বেশি ডালপালা, শিকড় নিয়ে সে স্থির রয়েছে। কিন্তু এবার মহাসড়কের কারণে কাটা পড়তে চলেছে একশো বছরের কাছাকাছি পলাশবাড়ির সেই বট গাছটি।

এই গাছের নীচেই তিন-চারটি দোকান ছিল। সেগুলি ইতিমধ্যেই ভাঙা পড়েছে। এখন গাছটি কাটার অপেক্ষা। এই গাছ যেন পলাশবাড়ি বাসস্ট্যান্ডের প্রতীক। বহু স্মৃতির সাক্ষীও৷ পলাশবাড়িতে রাস্তার ধারে এই বট গাছের চারাটি রোপণ করেছিলেন প্রয়াত কার্তিক দে। স্থানীয় নাট্যব্যক্তিত্ব রতনকুমার চৌধুরীর কথায়, ‘এই বট গাছটি এলাকার ঐতিহ্য। আমি জ্ঞান হওয়ার পর থেকে গাছটি দেখে আসছি। এই গাছের ছায়া পথচলতি মানুষের সহায়ক ছিল। কিন্তু এখন যেহেতু মহাসড়কের জন্য গাছটি কাটা পড়বে, তাই খারাপ তো লাগছেই। সেইসঙ্গে গাছের সঙ্গে সব স্মৃতিও উধাও হয়ে যাবে।’

এই বট গাছের নীচেই ছিল সেলুন, চা, মিষ্টির দোকানপাট। সেসব ভাঙা পড়েছে। ৩১ অগাস্টের মধ্যে মহাসড়কের কারণে পলাশবাড়ির রাস্তার ধারের সব দোকান ভাঙা পড়ে। এখন শুধুই দাঁড়িয়ে আছে বট গাছটি। শীঘ্রই রাস্তায় মাটি ফেলার কাজ শুরু হবে। তখন গাছটি কাটা পড়বে। এই গাছটি মহাসড়কের মাঝামাঝিতে পড়েছে। জন্মের পর থেকেই গাছটি দেখে আসছেন স্থানীয় তরুণ বাপ্পা ভুঁইয়া। পাশেই তাঁর উপহার সামগ্রীর দোকান। বাপ্পার কথায়, ‘একটু দূর থেকে দেখলে মনে হবে এখানে তিন-চারটি গাছ আছে। কিন্তু কাছে এলেই বোঝা যায় একটিই বট গাছ। চারপাশে শিকড়গুলিও গাছের মতো হয়েছে। এই গাছটি কাটা পড়লে আমাদের খারাপ লাগবেই।’

এলাকার প্রবীণরা বলছেন, এক সময় এই গাছটি ছিল পলাশবাড়ি বাসস্ট্যান্ড চেনার একমাত্র উপায়। গাছে জানা, অজানা পাখির কলরব লেগেই থাকে। স্থানীয়রা বলছেন, বট গাছটি এলাকার ঐতিহ্য। কিন্তু এখন গাছটি কাটা পড়বে জেনে খারাপ লাগছে। যদিও মহাসড়কের সাইট ইনচার্জ বিজয় গুপ্তার কথায়, ‘রাস্তা সম্প্রসারণের কারণে কিছু পুরোনো গাছ কাটা পড়ছে। তবে রাস্তার কাজ হয়ে গেলেই ফের গাছের চারা রোপণ করা হবে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *