Pakistan | নিশানায় ভারত! চিনের মদতে পরমাণু অস্ত্রের আধুনিকীকরণে উদ্যোগী পাকিস্তান

Pakistan | নিশানায় ভারত! চিনের মদতে পরমাণু অস্ত্রের আধুনিকীকরণে উদ্যোগী পাকিস্তান

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: অপারেশন সিঁদুরে ভারতের কাছে ধাক্কা খেয়ে এবার নিজেদের প্রতিরক্ষা পরিকাঠামো ঢেলে সাজাতে উদ্যোগী হল পাকিস্তান। রবিবার মার্কিন প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থা প্রকাশিত ওয়ার্ল্ড থ্রেট অ্যাসেসমেন্ট রিপোর্ট অনুসারে, পাকিস্তান চিনের সামরিক ও অর্থনৈতিক সহায়তায় তাদের পারমাণবিক অস্ত্রের আধুনিকীকরণ করছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ইসলামাবাদ ভারতকে তাদের অস্তিত্বের জন্য স্থায়ী হুমকি হিসেবে দেখছে।  তাই আগামী বছরের জন্য পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর শীর্ষ অগ্রাধিকারের মধ্যে রয়েছে আঞ্চলিক প্রতিবেশীদের সঙ্গে সীমান্তে সংঘর্ষ এবং পারমাণবিক অস্ত্রের আধুনিকীকরণ অব্যাহত রাখা। শুধু পারমাণবিক অস্ত্রের আধুনিকীকরণই নয়, পাকিস্তান তার পারমাণবিক উপকরণ এবং পারমাণবিক কমান্ড এবং নিয়ন্ত্রণের নিরাপত্তা বজায় রাখছে। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে পাকিস্তান গণবিধ্বংসী অস্ত্র (WMD) তৈরির জন্য চিন থেকে উপকরণ এবং প্রযুক্তি সংগ্রহ করছে, যার মধ্যে কিছু  প্রযুক্তি হংকং, সিঙ্গাপুর, তুরস্ক এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির মতো দেশগুলির মাধ্যমে পাঠানো হচ্ছে।

প্রতিবেদন অনুসারে, চিন পাকিস্তানের সামরিক সরঞ্জামের প্রধান সরবরাহকারী হলেও, পাকিস্তানে কর্মরত চিনা নাগরিকদের লক্ষ্য করে ধারাবাহিক সন্ত্রাসী হামলার কারণে সম্পর্কে কিছুটা টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে দুই মিত্র দেশের মধ্যে।  সাম্প্রতিক একটি গোয়েন্দা প্রতিবেদন অনুসারে, চিনা প্রভাব মোকাবিলায় কৌশলগত প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চল জুড়ে দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্ব জোরদার করার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে ভারত।

প্রতিবেদনে ভারত-চিন সীমান্ত উত্তেজনার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। পূর্ব লাদাখে বিতর্কিত প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা (LAC) বরাবর অবশিষ্ট দুটি ঘর্ষণ বিন্দু থেকে উভয় দেশ বাহিনীকে সরিয়ে নিতে সম্মত হলেও, অন্তর্নিহিত সীমান্ত সীমানা বিরোধ এখনও অমীমাংসিত বলেই রিপোর্টে তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে যে ভারত তার অভ্যন্তরীণ প্রতিরক্ষা শিল্পকে শক্তিশালী করতে, ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। এছাড়াও ভারতের অগ্নি-১ প্রাইম মিডিয়াম-রেঞ্জ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (এমআরবিএম), একাধিক স্বাধীনভাবে লক্ষ্যবস্তুকে নিশানা করায় যোগ্য রিএন্ট্রি যানবাহন (এমআইআরভি) সহ অগ্নি-৫ এবং দ্বিতীয় পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন চালু করার কথা বলা হয়েছে। পরিশেষে, প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে ভারত সম্ভবত ২০২৫ সাল পর্যন্ত রাশিয়ার সঙ্গে তার কৌশলগত সম্পর্ক বজায় রাখবে। কারণ নয়াদিল্লি নতুন রাশিয়ান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সংগ্রহ কমিয়ে দিলেও, রাশিয়ান খুচরো যন্ত্রাংশের উপর নির্ভরশীল রয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *