নিউ ইয়র্ক, ৩০ জুলাই : জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir) পহলগামের (Pahalgam) বৈসরণ উপত্যকায় ২২ এপ্রিলের জঙ্গি হামলায় টিআরএফ (দ্য রেজিসট্যান্স ফোর্স)-কে মদত দিয়েছিল লস্কর-ই-তৈবা (Lashkar-e-Taiba)। পাকভিত্তিক লস্করের মদত ছাড়া তা হতে পারত না। ছিল পাকিস্তানের (Pakistan) সমর্থন। রাষ্ট্রসংঘের (United Nations) মনিটরিং রিপোর্ট এবার সে কথাই বলেছে।
রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ১২৬৭ স্যাংশান কমিটির দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক মনিটরিং রিপোর্টের প্রথম অনুচ্ছেদেই পহলগাম কাণ্ডের কথা রয়েছে। বলা হয়েছে, টিআরএফ ও পাকিস্তানের লস্করের মধ্যে পূর্ণ যোগাযোগেই এটা সম্ভব হয়েছে। রিপোর্টে টিআরএফ–এর নামোল্লেখ, তাদের তরফে দু’বার হামলার দায়িত্ব স্বীকারের কথা ও হামলা স্থলের ছবি রয়েছে। ভারত যে কথা বার বার বলে বিশ্বকে বোঝানোর চেষ্টা করেছে, ঘটনার পাঁচ মাসের মাথায় রাষ্ট্রসংঘের রিপোর্টে তা উল্লেখ করা হল। বলা যেতে পারে এটা ভারতের কূটনৈতিক জয়।
সূত্রের খবর, ২০১৯ সালের পর রাষ্ট্রসংঘের রিপোর্টে এই প্রথম লস্কর-ই-তৈবার নাম পাওয়া গেল। পাকিস্তানে ঘাঁটি গেড়ে বসা লস্কর পিছনে না থাকলে টিআরএফ ওই ভয়াবহ ঘটনা ঘটাতে পারত না।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছরের জুলাইয়ে টিআরএফকে বিদেশি জঙ্গি সংগঠন (এফটিও) হিসেবে চিহ্নিত করেছিল। ওয়াশিংটন জানিয়েছিল, পহলগাম সহ ভারতে একাধিক জঙ্গি হামলায় টিআরএফ জড়িত। মার্কিন বিদেশমন্ত্রকের মতে, ট্রাম্প সরকারের সেই বক্তব্য আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তা, সন্ত্রাস মোকাবিলা ও পহলগামে আক্রান্তদের প্রতি ন্যায়বিচার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি।
২০১৯ সালে জম্মু ও কাশ্মীরে সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বিলুপ্ত হওয়ার সময় টিআরএফ-এর জন্ম। ভারতে তা নিষিদ্ধ হয়েছে ২০২৩ সালে।
