once more share market fall extra then 1000 factors

once more share market fall extra then 1000 factors

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


পশ্চিম এশিয়ার সংকটের জেরে ফের রক্তক্ষরণ দেশের শেয়ারবাজারে। সোমবার বাজার খুলতেই একধাক্কায় ১০০০ পয়েন্টের বেশি পড়ল সেনসেক্স। পাল্লা দিয়ে নেমেছে নিফটিও। জানা যাচ্ছে, নতুন করে ব্যারেল পিছু অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির জেরেই কোপ পড়েছে দালাল স্ট্রিটে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তরফে দেশবাসীর কাছে জ্বালানি তেল, সোনার-সহ আমদানিকৃত পণ্যের ব্যবহার কমানোর আহ্বান বিনিয়োগকারীদের মনে উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। যা বাজারের পতনের অন্যতম কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।

রিপোর্ট বলছে, সোমবার বাজার খোলার পরই সকাল ৯.৪০ নাগাদ বিএসই সেনসেক্স ১০১৬.৬২ পয়েন্ট কমে ৭৬,৩১১.৫৭ পয়েন্টে নেমে আসে। অন্যদিকে এনএসই নিফটি ২৯৭ পয়েন্ট কমে ২৩,৮৭৯.১৫ পয়েন্টে লেনদেন হচ্ছিল। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সেনসেক্স ৯৬৩.২০ পয়েন্ট অর্থাৎ ১.২৫ শতাংশ নেমে দাঁড়িয়েছে ৭৬,৩৬৪.৯৯তে। পাল্লা দিয়ে নেমেছে নিফটিও। রিপোর্ট বলছে, নিফটি ২২৭.৬০ পয়েন্ট অর্থাৎ ০.৯৪ শতাংশ নেমে দাঁড়িয়েছে ২৩,৯৪৮.৫৫তে। ব্যাঙ্ক নিফটিতেও বিরাট পতন দেখা গিয়েছে। ৫৪৩.৪০ পয়েন্ট অর্থাৎ ০.৯৮ শতাংশ নেমে বর্তমানে ব্যাঙ্ক নিফটির অবস্থান ৫৪,৭৬৭.১৫-তে।

বেহাল বিশ্ববাজারে সবচেয়ে বেশি ধাক্কা খেয়েছে ব্যাঙ্ক, বিমানসংস্থাগুলি। রিপোর্ট অনুযায়ী, এএবি ইন্ডিয়া লিমিটেড (-৯.০৮%), টাইটান (-৬.৫২%), ইন্ডিগো (-৪.৭৭%), স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (-৩.৭৬%), টাটা মোটরস (-৪.০১%), ইন্ডিয়ান ওয়েল কর্পোরেশন (-২.৪৯%)-এর মতো শেয়ারগুলি। এই খারাপ অবস্থার মাঝেই ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে টাটা কনজিউমার প্রোডাক্ট (+৪.৫৮%), কোল ইন্ডিয়া (+০.৯৬%), আদানি গ্রিন (+২.০৯%), সান ফার্মা (+১.৬০%), হুন্ডাই মোটর ইন্ডিয়া লিমিটেড (+২.৩৩%)-এর মতো শেয়ারগুলি।

বিশেষজ্ঞদের দাবি অনুযায়ী, বাজারের এই পতনের নেপথ্যে অন্যতম কারণ পশ্চিম এশিয়ায় নতুন করে সংকট। সম্প্রতি ইরানের শান্তিপ্রস্তাব উড়িয়ে দিয়েছে আমেরিকা। এই অবস্থায় অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল পিছু ১০৫ ডলার পার করেছে। যার জেরে প্রধানমন্ত্রী মোদি দেশবাসীর কাছে আবেদন করেছেন পেট্রোল ও ডিজেলের ব্যবহার কমাতে, অপ্রয়োজনীয় বিদেশ ভ্রমণ এড়াতে এবং সোনা, ভোজ্য তেল ও রাসায়নিক সারের মতো আমদানিনির্ভর পণ্য কম ব্যবহার করতে। মোদির বার্তা দেশে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। যার বড় প্রভাব পড়েছে বাজারে।

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *