New Delhi | জল জীবন মিশনে দুর্নীতি

New Delhi | জল জীবন মিশনে দুর্নীতি

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃ বিহার বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগেই নীতীশ সরকারের বিরুদ্ধে ‘হর ঘর জল’ প্রকল্পে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। খোদ কেন্দ্রেরই অভিযোগ, বাস্তবে রাজ্যের বহু জল প্রকল্পের অস্তিত্বই নেই। কেন্দ্র সেবিষয়ে তদন্তও শুরু করেছে। সেপ্টেম্বরে মণিপুরেও এই প্রকল্পের দুর্নীতি নিয়ে অশান্তি হয়, বিষয়টি আদালতেও গড়িয়েছে।

বিশুদ্ধ পানীয় জল সরবরাহের লক্ষ্যে ‘জল জীবন মিশন’ নিয়ে বাড়ছে বিতর্ক। সরকারি তদারকির পর প্রকল্পে বিপুল আর্থিক অনিয়ম, খরচের অতিরিক্ত দেখানো ও নিম্নমানের কাজের অভিযোগে উদ্বিগ্ন কেন্দ্র। এরপরই নতুন করে নির্দেশ জারি করেছে জলশক্তিমন্ত্রক। সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে জানানো হয়েছে, প্রকল্পে যুক্ত এমন সমস্ত ঠিকাদার ও সংস্থার বিস্তারিত তথ্য জমা দিতে হবে যাদের বিরুদ্ধে জরিমানা, ব্ল্যাক লিস্টিং বা অর্থ পুনরুদ্ধারের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এবছরেই প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু অধিকাংশ রাজ্য লক্ষ্যমাত্রার কাছাকাছি পৌঁছোতে পারেনি। তাই মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৮ করা হয়েছে। জল সরবরাহ মন্ত্রকের আর্জি মেনে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ করেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন।

গত সপ্তাহে দিল্লিতে এক বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত মন্ত্রী, অফিসার ও ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করতে হবে। মন্ত্রীদের ক্ষেত্রে তদন্তের দায়িত্ব রাজ্যের লোকায়ুক্তের হাতে দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ রাজ্য সরকারের দুর্নীতি-তদন্ত সংস্থার হাতে তুলে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্র। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, প্রকল্প-সংক্রান্ত সব অনিয়মের বিশদ তথ্য পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট আকারে জমা দিতে হবে। সেইসঙ্গে রাজ্যগুলিকে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল দপ্তরের সেইসব কর্মকর্তার নামও দিতে বলা হয়েছে, যাঁদের বিরুদ্ধে অনিয়ম বা নিম্নমানের কাজের অভিযোগে বরখাস্ত, স্থগিতাদেশ, চাকরি থেকে অপসারণ বা এফআইআর দায়ের হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে যেখানে একশো দিনের কাজ ও আবাস যোজনায় দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছে কেন্দ্র, সেখানে আপাতত জল জীবন মিশনে বড় ধরনের অনিয়মের তালিকায় রাজ্যের নাম নেই।
ব্যয় নিয়ন্ত্রণের স্বার্থে কেন্দ্রীয় ব্যয়সচিব প্রকল্পের বরাদ্দ প্রায় ৪০ শতাংশ কমিয়ে দেন। কারণ হিসেবে বলা হয়, বহু রাজ্যে অতিরিক্ত খরচ দেখানোর ঘটনা ধরা পড়েছে। এরপর ক্যাবিনেট সচিবের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, প্রতিটি রাজ্যে নজরদারি টিম পাঠিয়ে প্রকল্পের আর্থিক ও বাস্তব অবস্থা খতিয়ে দেখা হবে। জলশক্তিমন্ত্রক সব রাজ্যকেই সতর্ক করেছে এবং অনিয়মে যুক্ত কর্মকর্তা, ঠিকাদার ও সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে গোয়েন্দা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *