Netanyahu calls Modi | পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের আবহেই মোদিকে ফোন নেতানিয়াহুর, ইজরায়েলের স্বাধীনতা দিবসে বিশেষ আমন্ত্রণ

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে চরম উত্তেজনা ও অস্থিরতার আবহেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ফোন করলেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু (Netanyahu calls Modi)। দুই শীর্ষনেতার এই কথোপকথনে শুধু আঞ্চলিক সংকটই নয়, উঠে এসেছে দুই দেশের বহু বছরের সুদৃঢ় বন্ধুত্বের প্রসঙ্গও। ইজরায়েলের আসন্ন স্বাধীনতা দিবসের বিশেষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য প্রধানমন্ত্রী মোদিকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন নেতানিয়াহু। এই অনুষ্ঠানে ফ্লাইদুবাই বিমানের সাহসী ভারতীয় পাইলট স্মিত মচ্ছরেরও উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

সামাজিক মাধ্যম ‘এক্স’-এ দেওয়া একটি বিশেষ বার্তায় ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নিজেই এই আমন্ত্রণ জানানোর কথা প্রকাশ্যে এনেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ইজরায়েলের স্বাধীনতা দিবসের ঐতিহাসিক মূহূর্তে ওই সাহসী ভারতীয় বিমানচালকের পাশাপাশি তাঁর বন্ধু নরেন্দ্র মোদি যৌথভাবে মশাল প্রজ্জ্বলন (Gentle the torch) করুন— এটাই তাঁর একান্ত ইচ্ছা।

নেতানিয়াহুর এই উষ্ণ আহ্বানকে সাদরে গ্রহণ করে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ব্যক্ত করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। মোদী স্পষ্ট বার্তা দিয়ে স্মরণ করিয়ে দেন যে, জল, স্থল কিংবা আকাশ— সর্বত্রই বিশ্বজুড়ে তৈরি হওয়া আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে বহু বছর ধরে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই চালাচ্ছে দুই দেশ। এই যৌথ লড়ায়ের কথা তুলে ধরে ভারত ও ইজরায়েলের বহু দশকের গভীর ও ঐতিহাসিক সম্পর্ককে সাধুবাদ জানান তিনি।

কূটনৈতিক সূত্রে জানা গিয়েছে, ফোনালাপ চলাকালীন সমগ্র আরব দুনিয়ায় কীভাবে আবার দ্রুত শান্তি ও স্থায়িত্ব ফিরিয়ে আনা সম্ভব, তা নিয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ আলোচনা সারেন দুই রাষ্ট্রপ্রধান। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্রমশ উর্ধ্বমুখী গতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে আগামীদিনেও এই পারস্পরিক সহযোগিতা ও বন্ধুত্বের বন্ধনকে আরও মজবুত করার অঙ্গীকার গ্রহণ করেন মোদি ও নেতানিয়াহু। মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক যুদ্ধবিধ্বস্ত পরিবেশ বিবেচনা করে সেখানে অবিলম্বে শান্তি ফিরিয়ে আনার ওপর সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার দিয়েছেন তাঁরা। বিশ্বমঞ্চে ভারতের নিরপেক্ষ ও সুনির্দিষ্ট অবস্থান পুনঃপ্রতিষ্ঠা করে মোদি জানান, কোনো সামরিক লড়াই স্থায়ী সমাধান দিতে পারে না; এর একমাত্র পথ হলো সরাসরি সংলাপ ও কূটনৈতিক আলোচনা (Dialogue and Diplomacy)। সংঘাত এড়িয়ে শান্তির পথে হাঁটার এই বার্তাকে সামনে রেখে আগামীদিনেও পরস্পরের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ বজায় রাখতে ঐকমত্যে পৌঁছেছেন দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *