কিশনগঞ্জ: নেপালে গণবিক্ষোভের আঁচ ছড়িয়ে পড়েছে গোটা দেশজুড়ে। আগুন আছড়ে পড়েছে নেপালের রাষ্ট্রপতি থেকে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে। একের পর এক মন্ত্রীর বাড়িতে আগুন। জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে একাধিক থানা। জ্বলছে সে দেশের সুপ্রিম কোর্ট। নিয়ন্ত্রণের বাইরে গোটা দেশ। আর এই কারণেই সতর্ক ভারতও। নেপাল স্পর্শ করেছে ভারতের উত্তরাখণ্ড, বিহার, উত্তরপ্রদেশ, সিকিম এবং পশ্চিমবঙ্গ এই ৫টি রাজ্য। নেপালের সঙ্গে ভারতের প্রায় ১,৭৫১ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। সীমান্তে মোতায়েন রয়েছে সশস্ত্র সীমা বল বা এসএসবি। কোনওভাবেই যাতে নেপালের বিদ্রোহের আগুন ভারতে আছড়ে না পড়ে সেই দিকে কড়া নজর রাখতে প্রশাসন।
জানা গিয়েছে, গতকাল দুপুরের পর থেকেই ইন্দো-নেপাল সীমান্তে নজরদারি বাড়িয়েছে এসএসবি। একই চিত্র ফুটে উঠেছে বিহারের ইন্দো-নেপাল সীমান্ত কিশনগঞ্জ জেলাতেও। এদিন কিশনগঞ্জ জেলার গলগলিয়া সীমান্ত পরিদর্শন করেন পুলিশ সুপার সাগর কুমার। ছিলেন এসএসবির পদস্থ কর্তারাও। যদিও এই সীমান্তে এখনও পর্যন্ত বিদ্রোহের কোনও প্রভাব পড়েনি। মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত পরিস্থিতি একেবারেই স্বাভাবিক। সীমান্তে টহল দিচ্ছে জওয়ানরা। দুই দেশের মধ্যে চলাচলকারী প্রতিটি গাড়িতে চল্লাশি চালানো হচ্ছে। সীমান্ত লাগোয়া প্রতিটি থানাকে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। কিশনগঞ্জ থেকে রোকসৌল পর্যন্ত সীমান্ত এলাকায় বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করেছে এসএসবি।
