Navy Deployment | পশ্চিম এশিয়ার পর কি কিউবা? ক্যারিবীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক তৎপরতায় উদ্বেগ

Navy Deployment | পশ্চিম এশিয়ার পর কি কিউবা? ক্যারিবীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক তৎপরতায় উদ্বেগ

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: ক্যারিবীয় (Caribbean) অঞ্চলে একাধিক রণতরী, যুদ্ধবিমান এবং সেনা মোতায়েন শুরু করেছে আমেরিকা (Navy Deployment)। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘পলিটিকো’-র এক প্রতিবেদনে এমনই দাবি করা হয়েছে। সেই খবরটি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই আন্তর্জাতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। তা হলে কি এ বার কিউবাকে (Cuba) ঘিরে সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে ওয়াশিংটন?

ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্ভাব্য যে কোনও সামরিক পরিস্থিতিতে দ্রুত পদক্ষেপ করতে পারে, সেই লক্ষ্যেই আগে থেকে প্রস্তুতি জোরদার করছে পেন্টাগন। ইতিমধ্যেই ক্যারিবীয় অঞ্চলে পৌঁছেছে মার্কিন রণতরী ইউএসএস নিমিৎজ়। পাশাপাশি প্রায় ২৫০০ মেরিন সেনাকে নিয়ে ওই অঞ্চলের দিকে রওনা দিয়েছে ইউএসএস কিয়ারসার্জ।

পেন্টাগনের শীর্ষ কর্তা মার্ক কানসিয়ানের বক্তব্য, প্রাথমিক ভাবে হামলা প্রতিরোধ এবং কৌশলগত উপস্থিতি বজায় রাখতেই এই মোতায়েন। তবে প্রয়োজন হলে সামরিক অভিযানে এই বাহিনীকে ব্যবহার করা হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

উল্লেখযোগ্য ভাবে, পশ্চিম এশিয়ায় সামরিক সংঘাত শুরুর আগেও একই কায়দায় সেনা ও রণতরী মোতায়েন করেছিল আমেরিকা। পরে ইরানকে (Iran) ঘিরে সংঘাতে সরাসরি জড়িয়ে পড়ে আমেরিকাইজরায়েল। ফলে ক্যারিবীয় অঞ্চলে নতুন করে মার্কিন সামরিক তৎপরতা বাড়ায় কিউবাকে ঘিরে আশঙ্কা আরও তীব্র হয়েছে।

যদিও গত প্রায় ১০ মাস ধরেই পালা করে ক্যারিবীয় অঞ্চলে মার্কিন রণতরী মোতায়েন করা হচ্ছে। কিন্তু সাম্প্রতিক সেনা বৃদ্ধি এবং যুদ্ধজাহাজের উপস্থিতি পরিস্থিতিকে নতুন মাত্রা দিয়েছে বলেই মনে করছেন কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

এ দিকে গত মার্চ মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) মন্তব্য করেছিলেন, ইরান যুদ্ধের পর কিউবার দিকে নজর দেওয়া হবে। তিনি দাবি করেছিলেন, কিউবার কমিউনিস্ট শাসনের পতন ‘সময়ের অপেক্ষা’ মাত্র। সেই মন্তব্যের পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছিল। সাম্প্রতিক সামরিক তৎপরতা সেই জল্পনাকেই আরও উসকে দিল।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *