উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃ বাংলায় কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা কেন সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছোচ্ছে না, তা নিয়ে ফের একবার তৃণমূল সরকারকে কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi Brigade Rally)। আবাস যোজনা থেকে শুরু করে জলজীবন মিশন— প্রতি ক্ষেত্রেই রাজ্য সরকারের ‘দুর্নীতি’ এবং ‘নাম বদলে দেওয়ার রাজনীতি’ অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ দিন প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে বিশেষভাবে উঠে আসে চা-বাগানের শ্রমিক এবং আলুচাষিদের দুর্দশার কথা।
প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন, সারা দেশের মানুষ যখন পাকা বাড়ি পাচ্ছেন, তখন বাংলার গরিব মানুষ বঞ্চিত। তিনি বলেন, “এখানে প্রকল্পের নাম বদলে দেওয়া হয়েছে। তার পরেও যাদের বাড়ি পাওয়ার কথা ছিল, তারা বঞ্চিত হয়েছেন।” প্রধানমন্ত্রীর দাবি, তৃণমূল সরকার না যাওয়া পর্যন্ত এই বঞ্চনা শেষ হবে না। তিনি আশ্বাস দেন, রাজ্যে বিজেপি সরকার এলেই গরিবদের জন্য দ্রুত পাকা বাড়ি তৈরির কাজ শুরু হবে এবং প্রত্যেক বাড়িতে পরিশ্রুত পানীয় জল পৌঁছে দেওয়া হবে।
রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মোদি বলেন, “বাংলার করুণ দশা আর লুকিয়ে রাখা যাচ্ছে না।” আলুচাষিদের দুরবস্থার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ক’দিন আগেই চন্দ্রকোনায় এক আলুচাষি আত্মহত্যা করেছেন। এর জন্য তৃণমূলের কাটমানি সংস্কৃতি এবং ‘খারাপ রাজনীতি’কেই দায়ী করেন তিনি। তাঁর মতে, কৃষক থেকে শুরু করে মধ্যবিত্ত— প্রত্যেকের জীবনই এখন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। পাশাপাশি মা-বোনেদের নিরাপত্তা নিয়েও রাজ্য সরকারকে কড়া ভাষায় বিঁধেছেন তিনি। আয়ুষ্মান ভারতের মতো স্বাস্থ্য পরিষেবা থেকেও বাংলার মানুষ কেন বঞ্চিত, সেই প্রশ্নও এ দিন ফের তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।
