নাগরাকাটাঃ শুক্রবার আংরাভাসা এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের উত্তর ধোন্দা সিমলার কার্জিপাড়ায় দিনভর আটকে রইল দুটি হাতি। এদিন বিকেলে বন দপ্তরের নাথুয়া ও বিন্নাগুড়ি রেঞ্জের কর্মীরা জোড়া হাতিকে জঙ্গলমুখী করতে সক্ষম হন। জানা দিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে হাতিগুলো আশ্রয় নেয় কার্জিপাড়া গ্রামের একটি ঝোঁপে। খবর পেয়ে যথারীতি হাতি দর্শনে ঘটনাস্থলে ভিড় জমায় বহু সাধারণ মানুষ। বন্যপ্রাণ শাখার বিন্নাগুড়ি রেঞ্জের রেঞ্জার হিমাদ্রী দেবনাথ বলেন, “হাতিগুলিকে বহু চেষ্টার পর খুট্টিমারির জঙ্গলে ফেরানো সম্ভব হয়েছে। এলাকায় নজরদারি অব্যাহত আছে। বন দপ্তরের তৈরি করা স্থানীয় কুইক রেসপন্স টিম এর এক সদস্য গণেশ রায় বলেন, বিকেলে রাঙাতি নদী পেরিয়ে হাতি দুটি লোকালয় ছাড়ে।
এদিকে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে বামনডাঙ্গা চা বাগানে এসে তাণ্ডব চালাল একটি হাতি। জঙ্গল ছেড়ে এই চা বাগানে ঢুকে অবসরপ্রাপ্ত এক কর্মচারীর কোয়ার্টার গুঁড়িয়ে দিল হাতিটি। বরাত জোরে প্রাণে বাঁচে পরিবারটি। জানা গিয়েছে, পার্শ্ববর্তী গরুমারার জঙ্গল থেকে একটি দলছুট হাতি বেড়িয়ে এসে চা বাগানটির স্টাফ লাইনে ঢুকে পড়ে। হামলা চালায় বীরেন্দ্র সেনগুপ্ত নামে বাগানের অবসরপ্রাপ্ত ওই কর্মচারীর আবাসে। সেখানে প্রায় আধ ঘণ্টা তাণ্ডব চালিয়ে রাত একটা নাগাদ জঙ্গলে ফিরে যায়। বীরেন্দ্র বাবু বলেন, ‘ইটের দেয়াল খসে পড়ার শব্দ শুনে ধড়মড় করে উঠে দেখি সামনে একটি হাতি দাঁড়িয়ে। পরিবারকে নিয়ে কোনওরকমে পালিয়ে যেতে সক্ষম হই। এই ঘর আর থাকার উপযুক্ত নয়।’ বন দপ্তরের বন্যপ্রাণ শাখার খুনিয়া রেঞ্জের রেঞ্জার সজল দে বলেন, ‘হাতিটির গতিবিধির ওপর নজরদারি রেখে চলা হচ্ছে।’
