Nagrakata | হাতির পাশ কাটিয়েও রক্ষে নেই, চা বাগানে বুনো শুয়োরের পাল এড়াতে গিয়ে মৃত্যু প্রৌঢ়ের!

Nagrakata | হাতির পাশ কাটিয়েও রক্ষে নেই, চা বাগানে বুনো শুয়োরের পাল এড়াতে গিয়ে মৃত্যু প্রৌঢ়ের!

শিক্ষা
Spread the love


নাগরাকাটা: জলপাইগুড়ির নাগরাকাটা ব্লকের বামনডাঙা চা বাগানে এক বিচিত্র অথচ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। বুনো হাতির নাগাল থেকে বরাতজোরে বেঁচে ফিরলেও, কয়েক হাত দূরেই বুনো শুয়োরের পালের কবলে পড়ে প্রাণ হারালেন ৬০ বছর বয়সী এক ব্যক্তি। জখম হয়েছেন আরও দুই যুবক। রবিবার সন্ধ্যায় চা বাগানের মডেল ভিলেজ সংলগ্ন নতুন রাস্তায় এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

কীভাবে ঘটল এই জোড়া বিপত্তি?
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত ব্যক্তির নাম সিধু মাংকিমুন্ডা (৬০)। তিনি বামনডাঙা চা বাগানের ডায়না লাইনের বাসিন্দা। রবিবার সন্ধ্যায় সিধুবাবু তাঁর দুই সঙ্গী কৃষ্ণা লোহার (২১) ও অজয় মাংকিমুন্ডার (৩১) সঙ্গে বাইকে চেপে বামনডাঙা থেকে টন্ডুর দিকে যাচ্ছিলেন।
• প্রথম বাধা: বাগানের অন্ধকার রাস্তায় হঠাৎই তাঁদের সামনে একটি বুনো হাতি চলে আসে। চালক কৃষ্ণা কৌশলে হাতির পাশ কাটিয়ে বাইক নিয়ে কিছুটা এগিয়ে যেতে সক্ষম হন।
• দ্বিতীয় বিপর্যয়: হাতির আতঙ্ক কাটতে না কাটতেই অল্প দূরেই রাস্তার মাঝখানে একপাল বুনো শুয়োর দাঁড়িয়ে ছিল। শুয়োরের পালের ধাক্কা এড়াতে চালক সজোরে ব্রেক কষলে বাইক থেকে ছিটকে রাস্তায় পড়ে যান তিনজনেই।

হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই মৃত্যু
শুয়োরের পাল সরে গেলে বাকি দুই সঙ্গী সিধুবাবুকে উদ্ধার করে সুলকাপাড়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। চালক কৃষ্ণা লোহারের আঘাত গুরুতর হওয়ায় তাঁকে মালবাজার সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসার পর অজয়কে ছেড়ে দেওয়া হয়।

বন্যপ্রাণের আতঙ্কে দিন কাটছে বামনডাঙার
ডায়না ও গরুমারার জঙ্গল লাগোয়া এই বামনডাঙা চা বাগানটি বরাবরই বন্যপ্রাণীদের অবাধ বিচরণভূমি। হাতি, চিতাবাঘ, বাইসন বা বুনো শুয়োরের উপদ্রব এখানে নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। স্থানীয়দের দাবি, সূর্য ডুবলেই এখানে প্রাণ হাতে নিয়ে চলাচল করতে হয়। রাস্তার বেহাল দশা এবং পর্যাপ্ত আলোর অভাব এই ধরণের দুর্ঘটনাকে আরও ত্বরান্বিত করছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *