Nagrakata | পুজোর মুখে হাতির হামলা, চতুর্থীর রাতে প্রাণ হারালেন নাগরাকাটার বিজয় মাঝি

Nagrakata | পুজোর মুখে হাতির হামলা, চতুর্থীর রাতে প্রাণ হারালেন নাগরাকাটার বিজয় মাঝি

শিক্ষা
Spread the love


নাগরাকাটা:  চিতা বাঘের পর এবার হাতির হামলায় (Elephant assault) মৃত্যু। দাঁতাল পিষে দিয়ে ছিন্নভিন্ন করে দিল এক তরুণকে। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার রাতে নাগরাকাটার (Nagrakata) বামনডাঙ্গা চা বাগানের টন্ডুতে। মৃতের নাম বিজয় মাঝি (৩০)। বাড়ি সেখানকার নিচ লাইনে।

দিন কয়েক আগেই টন্ডু থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে খেরকাটা গ্রামে অস্মিত রায় নামে এক বছর বারোর এক নাবালককে চিতবাঘ তুলে নিয়ে গিয়েছিল। পরে ওই ছেলেটির খোবলানো দেহ উদ্ধার হয়। গত বৃহস্পতিবার মোরাঘাট জঙ্গলের ভেতর শামক কুড়োতে গিয়ে দাঁতালের হামলায় মৃত্যু হয়েছিল হলদিবাড়ি চা বাগানের সেভেন মুন্ডা নামে ৫৯ বছর বয়সী এক ব্যক্তির। সব মিলিয়ে পুজোর আগে এলাকার বিস্তীর্ণ তল্লাটে বুনোদের রোখা যে চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াচ্ছে একবাক্যে তা মেনে নিচ্ছেন বন দপ্তরের (Forest Division) সংশ্লিষ্ট কর্তারাও। ডায়না রেঞ্জের রেঞ্জার অশেষ পাল বলেন, ‘অত্যন্ত দূর্ভাগ্যজনক ঘটনা। মৃতের পরিবার সরকারি নিয়ম মোতাবেক ক্ষতিপূরণ পাবেন। হাতি, চিতাবাঘ এর মতো বন্যপ্রাণের গতিবিধির প্রতি বনকর্মীরা অত্যন্ত সতর্ক নজর রেখে চলেছেন। পুজোর সময়ও বিশেষ নজরদারির ব্যবস্থা থাকছে।’

স্থানীয় সূত্রেই জানা গিয়েছে, রাতে খাওয়া দাওয়ার পর বিজয় লাগোয়া রাস্তায় গিয়েছিল। আরও দু’জন আশপাশে ছিল। একটি হাতি রাস্তা দিয়ে হেঁটে এসে কিছু বোঝার আগেই তাঁর ওপর হামলা করে বসে। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। অন্য দু’জন বরাত জোরে বেঁচে যান। ওই খবর শুনে বাগানের বাসিন্দারা জড়ো হন। আসেন বন দপ্তরের ডায়না ও খুনিয়া রেঞ্জের কর্মীদের পাশাপাশি নাগরাকাটা থানার পুলিশ। এমন অকাল মৃত্যুকে ঘিরে সাময়িক উত্তেজনাও তৈরি হয়। গভীর রাতে দেহ উদ্ধার করে সুলকাপাড়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।

অত্যন্ত নম্র স্বভাবের বিজয়ের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে টন্ডু জুড়ে শনিবার ছিল শোকের আবহ। বাড়িতে তাঁর নিকটজন বলতে কেবলমাত্র মা রয়েছেন। ছেলেকে চিরতরে হারিয়ে ঘনঘন অজ্ঞান হয়ে যাচ্ছিলেন। কোনওরকমে বলেন, এখন কাকে নিয়ে বেঁচে থাকব।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *