Nagrakata | নাগরাকাটার বীর সন্তানকে স্মরণ করলেন সিআরপিএফ কর্মীরা, তুলে ধরা হল তাঁর অবদান

Nagrakata | নাগরাকাটার বীর সন্তানকে স্মরণ করলেন সিআরপিএফ কর্মীরা, তুলে ধরা হল তাঁর অবদান

শিক্ষা
Spread the love


নাগরাকাটা: মহাদেব মিঞ্জ শহিদ হন ২০১২ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর। তিনি মাওবাদী হামলার মুখে পড়েছিলেন। ওই সিআরপিএফ (CRPF) জওয়ানের সেসময় পোস্টিং ছিল ছত্রিশগড়ের সুকমা জেলার ভেজি থানার অন্তর্গত গোর্খাতে। সেদিন বাহিনীর হেলিকপ্টার নামার একটি অস্থায়ী হেলিপ্যাডে নজরদারির দায়িত্বে ছিলেন তিনি। ঘন জঙ্গলে লুকিয়ে থাকা মাওবাদীদের একটি দল অতর্কিতে সেসময় হামলা চালায়। মহাদেব ও তাঁর অন্য দুই সঙ্গী যোগ্য জবাবও দেন। সেসময় পেছন দিক থেকেও মাওবাদীদের আরেকটি দল স্বয়ংক্রিয় রাইফেল থেকে এলোপাথাড়ি গুলি ছুঁড়তে থাকেন। ওই মাওবাদীদের মোকাবিলায় মহাদেব এগিয়ে যান। ৩-৪ জনকে একা হাতে নিকেশ করেন। এরপরই মাওবাদীদের ছোঁড়া গুলি বুক চিরে চলে যায় অকুতোভয় ওই জওয়ানের। মৃত্যু বরণ করেন নাগরাকাটা চা বাগানের শ্রমিক পরিবারের সন্তান মহাদেব। অদম্য সাহস ও দেশের প্রতি কর্তব্যনিষ্ঠার জন্য পরে মরণোত্তর রাষ্ট্রপতি পুরস্কারও দেওয়া হয় তাঁকে।

নাগরাকাটার (Nagrakata) সেই বরেণ্য সন্তান মহাদেব মিঞ্জকে শুক্রবার স্মরণ করলেন সিআরপিএফ কর্মীরা। উপস্থিত ছিলেন নাগরাকাটা থানার পুলিশ। এদিন বাহিনীর উত্তরবঙ্গের প্রধান কার্যালয় শিলিগুড়ি গ্রুপের আধিকারিক ও জওয়ানরা নাগরাকাটায় এসে তাঁর স্মৃতিতে নির্মিত আবক্ষ মূর্তিতে শ্রদ্ধার্ঘ নিবেদন করেন। পাশাপাশি খোঁজ খবর নিয়ে যান মহাদেব এর স্ত্রী সিমলা ও তাঁর দুই পুত্রের। সিআরপিএফ এর শিলিগুড়ি গ্রুপের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমান্ডেন্ট ধর্মেন্দ্র কুমার বলেন, শহিদ মহাদেব এর আত্মত্যাগ চির স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর পরিবারের পাশে আমরা সবসময়ই রয়েছি। এএসআই বিশ্বজিৎ বসু বিশ্বাস বলেন, মহাদেবদের মত শহিদরা মৃত্যুঞ্জয়ী। দেশের গর্ব।

মহাদেবের স্ত্রী সিমলা ছাড়াও বাড়িতে দুই ছেলে রয়েছে। বড় ছেলে কুণাল। ছোট ছেলের নাম নিশান্ত। এ দিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ অনুষ্ঠানে তাঁরাও ছিলেন। এছাড়াও এলাকার বাসিন্দারাও শহীদের মূর্তিতে ফুল মালা দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। উপস্থিত ছিলেন বর্ষীয়ান সমাজসেবী রাখাল চন্দ্র মিত্র।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *