নাগরাকাটা: তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) শীর্ষ মহলের দলত্যাগের ঢেউ এসে আঁছড়ে পড়তে শুরু করল গ্রামগঞ্জেও। শুক্রবার পদ ও দল দুই-ই ছাড়ার কথা ঘোষণা করলেন ঘাসফুল শিবিরের চম্পাগুড়ি অঞ্চল কমিটির সদ্য প্রাক্তন সভাপতি ও পঞ্চায়েত সদস্য অশোক বিশ্বকর্মা (Ashok Biswakarma)। দলের সমস্ত কমিটি ভেঙে দেওয়ার দিন পর্যন্ত তিনি অঞ্চল সভাপতিই ছিলেন। পাশাপাশি দায়িত্বে ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নাগরাকাটা (Nagrakata) ব্লক কমিটির সভাপতিরও।
এদিন তিনি একটি সাংবাদিক সন্মেলন করে দল থেকে সরে যাওয়ার কথা জানান। অশোক বলেন, “মানুষের রায় আমাদের পক্ষে যায়নি। বিজেপি বিপুল জনাদেশ নিয়ে জিতেছে। তৃণমূল হেরে যাওয়ার পর থেকে দলের কোনও শীর্ষ নেতা আসা তো দূরের কথা, খোঁজ খবর পর্যন্ত নেয়নি। এদিকে দেখা যাচ্ছে, প্রতিদিন একের পর এক সাংসদ-বিধায়ক পদত্যাগ করছেন। বিধানসভায় কে যে আসল তৃণমূল সেটা বোঝা দুষ্কর হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা চা বাগান ও গ্রামগঞ্জে রাজনীতি করি। সবকিছু দেখে শুনে এমন পরিস্থিতিতে এই দলে আর থাকা সম্ভব নয়। তবে অন্য কোন দলে যাওয়ার ব্যাপারে মনস্থির করিনি।”
এলাকায় বর্তমানে দলের অন্য সমস্ত নেতারা ভোজবাজির মত উবে গিয়েছেন। তাঁদের কারও দেখা মিলছে না। এমন আবহে মুচকি হাসছে বিজেপি। শাসকদলের জলপাইগুড়ি জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও নাগরাকাটার বাসিন্দা মনোজ ভুজেল বলেন, সিন্ডিকেট, কাটমানি আর দুর্নীতি শেষ। সেকারণে তৃণমূলও শেষ। ওঁদের দলে ঝান্ডা ধরার লোকও আর খুঁজে পাওয়া যাবে না।”
