Mohammad Shami’s brother Mohammed Kaif accused of bodily assaulted

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল ক্রিকেটার মহম্মদ শামির ভাই মহম্মদ কাইফের বিরুদ্ধে। লখনউয়ের এক তরুণীর অভিযোগ, বিয়ের আশ্বাসে তিনি দিল্লির একটি বিমান সংস্থায় কেবিন ক্রুর চাকরিও ছেড়ে দিয়েছিলেন। পরে বিয়ের কথা বললেই কাইফ তাঁকে বিভিন্ন শহরে ডেকে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করতেন বলে অভিযোগ ওই মহিলার।

তাঁর অভিযোগ, ২০২০ সালে ইনস্টাগ্রামের কাইফের সঙ্গে পরিচয় হয়। সম্পর্ক তৈরি হওয়ার আগে কাইফকে জানিয়েছিলেন, তিনি বিবাহবিচ্ছিন্না। তাঁর একটি সন্তান রয়েছে। কাইফ সে বিষয়ে কোনও আপত্তি নেই বলেই জানিয়েছিলেন। তরুণীর কথায়, “কাইফ আমাকে বলেছিল, ‘আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি, তোমাকেই বিয়ে করব।’ সেই কথায় বিশ্বাস করে আমি চাকরি ছেড়ে দিয়েছিলাম।” ২০২৩ সালের ১১ সেপ্টেম্বর গাজিয়াবাদে প্রথম তাঁদের দেখা হয়। তার আগে আগস্টেই কাইফ তাঁকে বিয়ের ইচ্ছার কথা জানিয়েছিলেন বলে দাবি তাঁর। দিল্লিতে কাইফের খেলা থাকলেই তাঁকে একাধিকবার হোটেলে ডাকা হত বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।

আরও পড়ুন:

২০২০ সালে ইনস্টাগ্রামের কাইফের সঙ্গে পরিচয় হয়। সম্পর্ক তৈরি হওয়ার আগে কাইফকে জানিয়েছিলেন, তিনি বিবাহবিচ্ছিন্না। তাঁর একটি সন্তান রয়েছে।

তরুণীর আরও জানিয়েছেন, বিয়ের প্রসঙ্গ উঠলেই কাইফ তাঁকে যে শহরে থাকতেন, সেখানে ডেকে নিতেন। লখনউ, দিল্লি এবং কলকাতায় কয়েক মাস ধরে তাঁদের মধ্যে সম্পর্ক ছিল বলে অভিযোগ তাঁর। তিনি জানিয়েছেন, কলকাতায় একটি হোটেলেও তাঁরা একসঙ্গে ছিলেন। কাইফ তাঁকে জানিয়েছিলেন, আইপিএলের নিলামের পর তাঁদের বিয়ে হবে। এমনকী ধর্মগ্রন্থ ছুঁয়ে সেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বলেও দাবি তরুণীর। ২০২৪ সালের ১১ অক্টোবর বাংলার রনজি দল লখনউয়ে এসেছিল। সেই সময় কাইফও দলের সঙ্গে ছিলেন। অভিযোগ, কাইফ তাঁকে গোমতীনগরের একটি হোটেলে ডেকে পাঠান। সেখানেও তাঁদের মধ্যে যৌন সম্পর্ক হয়। তরুণীর কথায়, “বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে কাইফ আমার সঙ্গে কয়েক মাস ধরে সম্পর্ক রেখেছে। এখন আমি ন্যায়ের জন্য লড়ছি। প্রভাব-প্রতিপত্তির জোরে আমাকে দাবিয়ে রাখা যাবে না।”

তরুণীর কথায়, “বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে কাইফ আমার সঙ্গে কয়েক মাস ধরে সম্পর্ক রেখেছে। এখন আমি ন্যায়ের জন্য লড়ছি। প্রভাব-প্রতিপত্তির জোরে আমাকে দাবিয়ে রাখা যাবে না।”

কাইফ যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়ার পর তাঁর দাদা মহম্মদ হাসিবের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন বলে দাবি তরুণীর। প্রথমে হাসিব কাইফের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি মিটিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। পরে তিনিই তাঁকে ‘হানি ট্র্যাপার’ বলে কটাক্ষ করেন। এমনকী হুমকি দেন বলে দাবি অভিযোগকারিণীর। তাঁর আরও অভিযোগ, চলতি বছর ২৯ এপ্রিল একটি স্পোর্টস চ্যানেলের পডকাস্টে তিনি নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানান। তার ১০ দিন পরে, ৯ মে, কাইফ তাঁকে ফোন করে ওই পডকাস্ট সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন বলে জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে পরিবারের সঙ্গে কথা বলে বিয়ের ব্যবস্থা করার আশ্বাস দিয়ে তাঁকে ফের কলকাতায় ডাকা হয়েছিল বলেও অভিযোগ।

তরুণীর দাবি, কলকাতায় গিয়ে ফের বিয়ের আশ্বাস পান তিনি। ১৮ মে কাইফের সঙ্গে তাঁর যৌন সম্পর্ক হয় বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। পরের দিন বিয়ের বিষয়ে আলোচনার জন্য তাঁকে আমরোহায় এক ব্যক্তির বাড়িতে ডাকা হয়। সেখানে কাইফের দাদা, মা-সহ আরও কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন বলে দাবি তাঁর। সেখানে তাঁকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল। পরিবারে ‘উঁচু মহলে’ প্রভাব রয়েছে বলে জানানো হয়েছিল বলে এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ ওই তরুণীর। উল্লেখ্য, আইপিএল নিলামের পর, অর্থাৎ ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে তাঁদের বিয়ে হবে বলে কাইফ তাঁকে জানিয়েছিলেন। কিন্তু সেই বিয়ে হয়নি। চলতি বছর জানুয়ারিতে তিনি ফের বিয়ের জন্য চাপ দিলে কাইফ তাঁর থেকে দূরত্ব তৈরি করতে শুরু করেন। শেষ পর্যন্ত যোগাযোগ বন্ধ করে দেন বলে অভিযোগ। তিনি আরও বলেন, “৩০ মে আমরোহায় যা ঘটেছিল, সবটাই আমি কাইফকে জানিয়েছিলাম। কিন্তু সে আমাকে সাহায্য করেনি, বিয়েতেও রাজি হয়নি।”

চলতি বছর জানুয়ারিতে তিনি ফের বিয়ের জন্য চাপ দিলে কাইফ তাঁর থেকে দূরত্ব তৈরি করতে শুরু করেন। শেষ পর্যন্ত যোগাযোগ বন্ধ করে দেন বলে অভিযোগ।

প্রথমে আশিয়ানা থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়েছিলেন ওই মহিলা। আগে ওই এলাকায় থাকতেন বলে সেখানে গিয়েছিলেন তিনি। জানান, পুলিশ জানায় বিষয়টি ওই থানার এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে না। এর পর বিভূতিখণ্ড থানায় যান তিনি। যে হোটেলে কাইফের সঙ্গে থাকার অভিযোগ উঠেছে, সেটি ওই থানার এলাকার মধ্যে পড়ে বলে দাবি তাঁর। সেখানেও কোনও সমাধান না হওয়ায় লখনউয়ের পূর্বাঞ্চলের ডিসিপির দফতরে লিখিত অভিযোগ জানান তিনি। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিভূতিখণ্ডের এসিপিকে। ইতিমধ্যেই অভিযোগকারিণীর বয়ানও রেকর্ড করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে এই অভিযোগের বিষয়ে মহম্মদ কাইফের তরফে এখনও অবধি কিছু বলা হয়নি।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *