Minor Sexual Harassment | গঙ্গারামপুরে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে যৌন হেনস্তা, পুলিশের জালে অভিযুক্ত প্রাথমিক শিক্ষক   

Minor Sexual Harassment | গঙ্গারামপুরে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে যৌন হেনস্তা, পুলিশের জালে অভিযুক্ত প্রাথমিক শিক্ষক   

শিক্ষা
Spread the love


গঙ্গারামপুর: স্কুলের ছাদে নিয়ে গিয়ে দ্বিতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌন হেনস্তার (Minor Sexual Harassment) অভিযোগে অবশেষে শ্রীঘরে অভিযুক্ত শিক্ষক। প্রায় ৪৮ ঘণ্টা পলাতক থাকার পর মঙ্গলবার রাতে গঙ্গারামপুর শহরের বড়বাজার এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বুধবার ধৃতকে পক্সো (POCSO) আইনের নির্দিষ্ট ধারায় গঙ্গারামপুর মহকুমা আদালতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার গঙ্গারামপুর শহরের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই ঘৃণ্য ঘটনাটি ঘটে। অভিযোগ, ওই শিক্ষক দ্বিতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে মোবাইলে কার্টুন দেখানো এবং চকলেটের প্রলোভন দিয়ে স্কুলের ছাদে নিয়ে যান। সেখানেই ছাত্রীটির সঙ্গে অশালীন আচরণ করেন তিনি। বাড়ি ফিরে নাবালিকাটি সমস্ত ঘটনা পরিবারকে জানালে সোমবার সকালে গঙ্গারামপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তার মা।

অভিযোগ দায়েরের পর থেকেই ফেরার ছিলেন ওই শিক্ষক। ঘটনার প্রতিবাদে এবং অভিযুক্তের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে মঙ্গলবার স্কুলের গেটে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ দেখান অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা। উত্তেজনার পারদ চড়তেই সক্রিয় হয় পুলিশ। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মঙ্গলবার রাতে বড়বাজার এলাকা থেকে তাঁকে পাকড়াও করেন তদন্তকারী অফিসাররা। গঙ্গারামপুরের এসডিপিও (SDPO) শুভতোষ সরকার জানান, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখে তদন্ত চালানো হচ্ছে।

এই ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছে শিক্ষা দপ্তর। গঙ্গারামপুর সদর চক্রের এসআই এনামুল শেখ জানিয়েছেন, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের (DPSC) চেয়ারম্যানকে ইতিমধ্যেই পুরো বিষয়টি জানানো হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী ওই শিক্ষকের বেতন বন্ধ করা বা তাঁকে বরখাস্ত করার বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেবেন চেয়ারম্যান। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকও জানিয়েছেন, তিনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং কেউ অন্যায় করলে তাঁর উপযুক্ত বিচার হওয়া উচিত।

মঙ্গলবারের উত্তেজনার রেশ কাটেনি বুধবারও। এদিন বিদ্যালয় খোলা থাকলেও কোনো পড়ুয়া স্কুলে আসেনি। শিক্ষক-শিক্ষিকারা হাজিরা দিলেও ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা সন্তানদের সুরক্ষার কথা ভেবে এদিন স্কুলে পাঠাননি। শিক্ষাঙ্গনে এই ধরনের ঘটনায় শহরজুড়ে তীব্র নিন্দার ঝড় উঠেছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *