Migrant Employee Dying | অভাব মেটাতে ভিনরাজ্যে পাড়ি, বেঙ্গালুরুতে মৃত্যু মালদার শ্রমিকের! দেহ ফেরাতে ১০ লক্ষ দাবি হাসপাতালের

Migrant Employee Dying | অভাব মেটাতে ভিনরাজ্যে পাড়ি, বেঙ্গালুরুতে মৃত্যু মালদার শ্রমিকের! দেহ ফেরাতে ১০ লক্ষ দাবি হাসপাতালের

ব্লগ/BLOG
Spread the love


সামসী: ফের ভিনরাজ্যে কাজ করতে গিয়ে প্রাণ হারালেন বাংলার এক পরিযায়ী শ্রমিক (Migrant Employee Dying)। বেঙ্গালুরুতে কর্মরত অবস্থায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দ্বিতল ভবন থেকে পড়ে মৃত্যু হলো ৩৬ বছর বয়সী আনারুল হকের। তাঁর বাড়ি মালদার চাঁচল-২ ব্লকের ধানগাড়া বিষনপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের হলদিবাড়ি গ্রামে। এই অকাল মৃত্যুতে পরিবারে নেমে এসেছে শোকের কালো ছায়া।

পারিবারিক সূত্রে জানা গিয়েছে, দিনমজুর পরিবারের অভাব মেটাতে মাত্র পাঁচ মাস আগে বেঙ্গালুরু গিয়েছিলেন আনারুল। সেখানে একটি পুরনো বহুতল ভাঙার কাজ করছিলেন তিনি। শনিবার বিকেল চারটে নাগাদ কাজ করার সময় অসাবধানতাবশত বৈদ্যুতিক তারে লেগে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন তিনি এবং সঙ্গে সঙ্গে দোতলা থেকে নিচে পড়ে যান। সহকর্মীরা উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

আনারুলের মৃত্যুতে তাঁর স্ত্রী মরিয়ম খাতুন ও দুই নাবালক পুত্র সন্তান সম্পূর্ণ নিরাশ্রয় হয়ে পড়েছে। মরিয়ম জানান, পরিবারের সম্বল বলতে শুধু দু-কাঠা ভিটে। এর ওপর মাথার ওপর রয়েছে ১ লক্ষ টাকার ঋণের বোঝা। এর মধ্যেই নতুন বিপদ হিসেবে দাঁড়িয়েছে হাসপাতালের বিল। মরিয়মের দাবি, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ১০ লক্ষ টাকা দাবি করছে, না হলে মৃতদেহ ছাড়া হবে না বলে জানানো হয়েছে। এই বিপুল পরিমাণ অর্থ জোগাড় করা তাঁদের পক্ষে অসম্ভব।

এই কঠিন পরিস্থিতিতে পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন মালতীপুরের বিধায়ক আব্দুর রহিম বক্সি। তিনি শোকাতপ্ত পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন এবং মৃতদেহটি বাড়ি ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সব রকমের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *