নাগরাকাটা: উত্তরকন্যায় ঘুঘুর বাসা তৈরি হয়েছে। তা ভাঙার জন্যেই আগামী ২৮ তারিখ সেখানে অভিযানে যাচ্ছে ডিওয়াইএফআই (DYFI)। প্রস্তাবিত ওই কর্মসূচির প্রচারে এসে শুক্রবার নাগরাকাটায় (Nagrakata) এ কথা জানালেন সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় (Meenakshi Mukherjee)। এদিন সিপিএমের ওই যুব নেত্রী গোটা রাজ্যে অরাজকতা চলছে বলে অভিযোগ তুলে সরব হন। উত্তরবঙ্গের জমি,বালি, পাথর লুট চলছে বলে জানান। তিনি বলেন, ‘দিনহাটা থেকে আরজিকর বা যাদবপুর। আজ কোথাও কেউ সুরক্ষিত নয়।’
টি ট্যুরিজম ইস্যুতে রাজ্যের জমি নীতি নিয়ে তুমুল প্রতিবাদে সরব হন মীনাক্ষী। তাঁর প্রশ্ন, চা বাগানের উদ্বৃত্ত জমি কে ঠিক করে দিয়েছে? রাজ্য সরকার কি শ্রমিক, মালিক সহ সংশ্লিষ্ট মহলের সঙ্গে এ বিষয়ে কোনদিন কোন কথা বলেছে? কোন শুনানির আয়োজন করেছে? ডিওআইএফআই এসবের প্রতিবাদে রাস্তায় ছিল, আছে ও থাকবে। আর জি করের অভয়াকাণ্ড নিয়ে এদিন ফের প্রশ্ন তুলেছেন মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘সরকার সবকিছু জেনেও নিজেদের ভাই, ভাতিজা, ধর্ষক, খুনিদের বাঁচিয়ে দিল। তারপর দিনহাটার ঘটনা ঘটলো। যদি আরজি করের দোষীদের শাস্তি দেবার সাহস এই সরকার দেখাতো তাহলে আজ দিনহাটার ঘটনা ঘটত না।’ এদিন মীনাক্ষী প্রথমে ২৮ মার্চের কর্মসূচি নিয়ে নাগরাকাটার সিপিএমের দলীয় কার্যালয়ে একটি কর্মী সভা করেন। পরে মহাদেব মোড়ে আয়োজিত পথসভা থেকে ভাষণ দেন। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিপিএমের জলপাইগুড়ি জেলা কমিটির সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য রামলাল মুর্মু, ডিওয়াইএফআই এর নাগরাকাটা লোকাল কমিটির সভাপতি প্রকাশ প্রসাদ, সম্পাদক সুবীর দাস ওরাওঁ প্রমুখ।
