শিলিগুড়ি: বাড়িতে তৈরি খাবার খাওয়ার পর একই পরিবারের তিন সদস্যের রহস্যজনক অসুস্থতার ঘটনায় শিলিগুড়ির ৫ নম্বর ওয়ার্ডের গঙ্গানগর (Ganganagar) এলাকায় শোকের ছায়া (Meals Poisoning)। খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর মৃত্যু হয়েছে ১২ বছরের নন্দিনী দাসের। আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন তার মা তালা কুমারী দাস (৪০) এবং ১৭ বছর বয়সী দিদি অঞ্জলি দাস।
পরিবারের সদস্যদের দাবি, গত শুক্রবার রাতে বাড়িতে রুটি ও আলু-পেঁয়াজ ভাজা রান্না করেছিলেন অঞ্জলি। সেই খাবার খেয়েই রাতে মা ও দুই মেয়ের শরীর খারাপ হতে শুরু করে। বমি ও তীব্র অসুস্থতা নিয়ে তাঁদের তড়িঘড়ি একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় নন্দিনীর অবস্থার অবনতি হয় এবং শেষ পর্যন্ত তার মৃত্যু হয়। পরিবারের অন্য এক সদস্য পায়েল দাস ওইদিন রাতে খাবার না খাওয়ায় তিনি সুস্থ আছেন। কর্মসূত্রে ইন্দোরে থাকা পরিবারের কর্তা ঘটনার খবর পেয়েই বাড়ি ফিরছেন।
শনিবার নন্দিনীর দেহ ময়নাতদন্তের জন্য উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে (NBMCH) পাঠানো হয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে খালপাড়া ফাঁড়ির পুলিশ এলাকায় পৌঁছায়। পাশাপাশি রাজ্যের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরের প্রতিনিধিরা ঘটনাস্থলে এসে অবশিষ্ট খাবারের নমুনা সংগ্রহ করেছেন। চিকিৎসকদের প্রাথমিক অনুমান, এটি খাবারে বিষক্রিয়ার ঘটনা হতে পারে। তবে মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত করতে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং ল্যাবরেটরি টেস্টের ফলাফলের অপেক্ষায় রয়েছেন তদন্তকারীরা। গোটা ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

