Man killed daughter and his self in Gujarat

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


ঘর সাজানো বেলুন ও মোমবাতিতে। করা হয়েছে পুজোও। এ দিকে সিলিং থেকে ঝুলছেন যুবক। উদ্ধার সুইসাইউ নোট। সেই অনুযায়ী ফ্রিজ খুলতেই চক্ষু চড়কগাছ! রেফ্রিজারেটরে রাখা পাঁচ বছরের শিশুকন্যার দেহ। পাশে রাখা চকোলেট। মাথায় বালিশের মতো করে রাখা ওড়না। রয়েছে একটি কাগজ। তাতে লেখা ‘শুভ জন্মদিন।’ আর্থিক সমস্যার কারণে গুজরাটে শিশুকন্যাকে খুনের পর আত্মঘাতী বাবা! আত্মহত্যার কারণ লেখা থাকলেও, ঘরে পুজো দেওয়া, শিশুটির জন্মদিন না হলেও তা পালন। ভাবাচ্ছে তদন্তকারীদের। দেহ দু’টি ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে।

ঘটনাটি গুজরাটের আমরেলি জেলার। ‘আত্মঘাতী’ যুবকের নাম কিশোর ধনক। বয়স ৪০ বছর। মৃত পাঁচ বছরের কন্যা হিংমাশী। সম্প্রতি, তাঁর স্ত্রী মঞ্জুবেন বাপের বাড়ি যান। সেখানে গিয়ে স্বামীর সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন। কিন্তু ফোন বারবার সুইচ অফ বলে। এরপরই মঞ্জু তাঁর ভাইকে গিয়ে দেখতে বলেন কী ব্যাপার। কিশোরের শ্যালক বাড়ি গিয়ে ডাকাডাকি করলেও কোনও সাড়াশব্দ পাননি। খবর দেন মঞ্জুকে। তিনি এসে দরজা ভেঙে ঘরে ঢোকেন। তখনই কিশোরের দেহ উদ্ধার হয়। তিনটি সুইসাইড নোটও মেলে। পাওয়া যায় শিশুকন্যার দেহ।

তিনটি সুইসাইড নোটে আত্মহত্যা, মেয়েকে কেন খুন করলেন? এবং খুন করার জন্য ক্ষমা চেয়েছেন কিশোর। সুইসাইড নোট ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় ৭ লক্ষ টাকার পার্সোনাল ঋণ নিয়েছিলেন কনস্ট্রাকশন সাইডের সুপারভাইজার কিশোর। সেই টাকা লগ্নি করেছিলেন। কিন্তু যৌথ বিনিয়োগে তাঁর অংশীদার কোনও টাকা দেননি বলে দাবি। ফলে আর্থিক সংকটে ভুগছিলেন যুবক। তাতেই আত্মঘাতী হওয়ার সিদ্ধান্ত! কিন্তু মেয়েকে কেন খুন করলেন? কিশোর সুইসাইড নোটে লিখেছেন, তাঁর মৃত্যুর পর মেয়ে যেন কোনও সমস্যার মধ্যে তা পড়ে, সেই যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দিতেই খুন।

প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশের অনুমান, জন্মদিন না হওয়া সত্বেও শেষবার মেয়ের জন্মদিন পালন করেছিলেন কিশোর। তারপর শ্বাসরোধ করে খুন! শেষে আত্মঘাতী হন নিজেও। একটি মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। কথা বলা হচ্ছে পরিবারের সঙ্গে। খতিয়ে দেখা হচ্ছে সব দিক। 

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *