Malda Medical School | এসআইআর আবহে জন্ম শংসাপত্র তৈরির হিড়িক, লম্বা লাইন মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে

Malda Medical School | এসআইআর আবহে জন্ম শংসাপত্র তৈরির হিড়িক, লম্বা লাইন মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


হরষিত সিংহ, মালদা: প্রথম পর্বে বিহারের পর দ্বিতীয় পর্বে পশ্চিমবঙ্গ সহ দেশের বারোটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এসআইআর বা ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন শুরু হয়েছে। আর এসআইআর আবহে মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে জন্ম শংসাপত্র তৈরি ও সংশোধনের হিড়িক। শুধু মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালেই নয়, জেলার একাধিক পঞ্চায়েত অফিসেও একই ছবি দেখা যাচ্ছে।

শুক্রবার মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে দেখা গেল প্রীতিলতা মণ্ডল নামে এক মহিলা তাঁর ছেলের জন্ম শংসাপত্র তৈরি করতে এসেছেন। তিনি জানালেন, তাঁরা স্বামী-স্ত্রী দুজনেই পরিযায়ী শ্রমিক। ঠিকাদার সংস্থার নির্দেশে কখনও মুম্বই, কখনও দিল্লিতে তাঁদের কাজে যেতে হয়। ফলে ছেলের বয়স দুই বছর হয়ে গেলেও এখনও জন্ম শংসাপত্র তৈরি করা হয়ে ওঠেনি। তাই ছেলেকে নিয়েই হাসপাতালের লম্বা লাইনে দাঁড়িয়েছেন প্রীতিলতা।

জেলার অনেকের মধ্যেই এতদিন সন্তানের জন্ম শংসাপত্র তৈরির তেমন তোড়জোড় ছিল না। এসআইআর ঘোষণা হতেই তা যেন হঠাৎ বেড়ে গিয়েছে। শুধু জন্ম শংসাপত্র তৈরি নয়, সংশোধন থেকে শুরু করে ডিজিটাল করার প্রবণতাও কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। যদিও মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের এমএসভিপি প্রসেনজিৎ বর বলছেন, ‘প্রতিদিনই সাধারণ মানুষ জন্ম শংসাপত্র তৈরির জন্য এখানে আসেন। এখন বেশি হচ্ছে বলে মনে হয় না। শংসাপত্রে ভুল থাকলে সংশোধনের জন্য আবেদন করতেই হয়। এখনও তাই হচ্ছে।’

প্রায় বছর ছয়েক আগে মেয়ের জন্ম শংসাপত্র তোলেন সাদিকুল ইসলাম। তাঁর দাবি, পঞ্চায়েতের তরফে এখন জন্ম শংসাপত্র ডিজিটাল করার জন্য বলেছে। তাই তিনি মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে আবেদন করতে যান। সাদিকুল বলেন, ‘এসআইআর শুরু হয়েছে। সেই আতঙ্কেই এখন বার্থ সার্টিফিকেট ডিজিটাল করছি।’

কয়েকদিন আগে পুরাতন মালদার সাহাপুর পঞ্চায়েতে আঠারো বছরের ছেলের জন্ম শংসাপত্র তৈরির আবেদন করেন নিত্যানন্দপুরের এক বাসিন্দা। প্রায় দুই থেকে তিন মাস ধরে জন্ম শংসাপত্র সংশোধনের কাজ ব্যাপক হারে বেড়েছে বলে দাবি হাসপাতাল কর্মীদের একাংশের। মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে জন্ম শংসাপত্র প্রদান বিভাগে লম্বা লাইন পড়ছে সকাল থেকেই। অনেকে অফিস খোলার আগে থেকেও লাইন দিচ্ছেন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *