Malda | ১৪ বছর কুমিল্লায় নাজিমুল, সমাজমাধ্যমের সৌজন্য খোঁজ, দেশে ফেরানোর চেষ্টা 

Malda | ১৪ বছর কুমিল্লায় নাজিমুল, সমাজমাধ্যমের সৌজন্য খোঁজ, দেশে ফেরানোর চেষ্টা 

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


জসিমুদ্দিন আহম্মদ, মালদা: কালিয়াচকের (Kaliachak) আমির শেখের পর এবার বাংলাদেশ থেকে নাজিমুল হক নামে মানসিক ভারসাম্যহীন এক তরুণকে মালদা (Malda) জেলার চাঁচলে ফেরাতে উদ্যোগ নিলেন দক্ষিণ মালদার সাংসদ কংগ্রেস নেতা ইশা খান চৌধুরী। ১৪ বছর ধরে বাংলাদেশের কুমিল্লায় রয়েছেন নাজিমুল। সম্প্রতি বাংলাদেশের একটি সামাজমাধ্যমে নাজিমুলের ছবি ভাইরাল হয়। ওই ছবি দেখে পরিবারের লোকেরা হারানো ছেলেকে চিনতে পারেন। ছেলেকে দেশে ফিরিয়ে আনতে নাজিমুলের বাবা মারুফ আলি বিভিন্ন জায়গায় দরবার করলেও, তাতে কাজ হয়নি বলে অভিযোগ। শেষে তিনি সাংসদ ইশার দ্বারস্থ হন। সাংসদের উদ্যোগ এবং বিদেশমন্ত্রকের সহযোগিতায় নাজিমুলের দেশে ফেরা এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। বুধবার ইশা বলেন, নাজিমুলকে ফেরাতে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকরকে আমি লিখিত আবেদন করেছিলাম। নাজিমুল যে ভারতীয় নাগরিক, তার প্রমাণপত্র ভেরিফিকেশনের জন্য বিভাগীয় দপ্তরেও পাঠানো হয়েছিল। ওই রিপোর্টও চলে এসেছে। মানষিক ভারসাম্যহীন ওই তরুণ বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলায় রয়েছেন। আশা করছি খুব দ্রুত পরিবারের কাছে ফিরে আসবে নাজিমুল।’

সমাজমাধ্যম বাড়ি ফেরাচ্ছে নাজিমুলকে। মালদা জেলার চাঁচল থানার ইসলামপুর গ্রাম থেকে ২০১১ সালে নিখোঁজ হয়ে যান নাজিমুল। সর্বত্র খোঁজ করেও নিখোঁজ ছেলেকে পাননি বাবা মারুফ আলি। প্রায় ১৪ বছর পর সমাজমাধ্যমের সৌজন্যে বাড়ি ফিরতে চলেছেন ওই তরুণ। মারুফের কথায়, ‘ছোট থেকে সামান্য মানসিক ভারসাম্যহীন ছেলে। মাঝেমধ্যেই বাড়ি থেকে এদিকে-ওদিকে চলে যেত। বহুবার খোঁজখবর নিয়ে ফিরিয়ে নিয়ে এসেছি। কিন্তু ২০১১ সালে নিরুদ্দেশ হওয়ার পর নানা জায়গায় খোঁজ করেও আর পাইনি। এভাবে ১৪ বছর কেটে যাওয়ায় আমরা ভেবেছিলাম হয়তো ছেলে মারা গিয়েছে। কিন্তু মাস চারেক আগে প্রতিবেশীরা ফেসবুকে ছেলের ছবি দেখতে পেয়ে আমাদেরকে দেখাতে বাড়িতে ছুটে আসেন। ছবি দেখেই চিনতে পারি নাজিমুলকে।’ এরপর খোঁজ নিয়ে নাজিমুল যে বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলায় রয়েছেন, তা তাঁরা জানতে পারেন বলে জানান মারুফ। যে নাজিমুলের ছবি প্রথম পোস্ট করেছিলেন, তাঁর সঙ্গে তাঁরা যোগাযোগ করেছেন বলেও জানান তিনি। বলছেন, ‘ওই ব্লগার সিয়ামের মাধ্যমে ছেলের সঙ্গে ভিডিও কলেও কথা বলেছি।’
মারুফের বক্তব্য, ছেলেকে ফিরে পেতে জেলার সমস্ত আধিকারিকের কাছে গিয়েছেন। জেলা শাসকের কাছেও আবেদন করেছেন। কিন্তু কোনও মহলেই তৎপরতা দেখেননি। যে কারণে সাংসদের দ্বারস্থ হওয়া। তিনি বলছেন, ‘দেখলাম সাংসদ ইশা খান চৌধুরীর উদ্যোগে বাংলাদেশ থেকে পরিযায়ী শ্রমিক আমির শেখকে ফিরিয়ে আনা হল। তারপর আমি দেখা করেছিলাম সাংসদের সঙ্গে। উনি আশ্বাস দিয়েছেন ছেলেকে ফেরাবার বিষয়ে। জানতে পেরেছি দ্রুত নাজিমুল বাংলাদেশ থেকে ফিরবে। সেই দিনটার অপেক্ষায় রয়েছি আমরা।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *