Malda | শ্রমিকের ঘরে ফুটবলের ছোঁয়া, অনূর্ধ্ব-১৯ বাংলা দলে সুযোগ পেয়ে মালদার মুখ উজ্জ্বল করল রোহন

শিক্ষা
Spread the love


হরষিত সিংহ, মালদা: বাবা পেশায় শ্রমিক, ছেলে বাংলা ফুটবল দলে সুযোগ পেয়ে গর্বিত করল পরিবার সহ স্কুলকে। নিয়মিত অনুশীলন ও শিক্ষকদের পরামর্শ ও প্রশিক্ষণে এমন সাফল্য মালদার (Malda) ইংরেজবাজার (English Bazar) ব্লকের দুর্গাপুর গ্রামের রোহন শেখের। অনূর্ধ্ব-১৯ বাংলা দলে সুযোগ করে নিয়েছে মালদার এই খুদে প্রতিভাবান ফুটবলার। মালদা জেলা দলের ছয়জন বাংলা দলের জন্য ট্রায়ালে ডাক পায়। তাদের মধ্যে একমাত্র রোহন চূড়ান্ত বাংলা দলে সুযোগ পেয়েছে। তার এমন সাফল্যে খুশি বাবা-মা সহ স্কুলের শিক্ষকরা। রোহনের কথায়, ‘স্কুলের দুই শিক্ষক আমাকে নিয়মিত প্রশিক্ষণ করিয়েছেন। ছোটবেলা থেকেই আমার ফুটবল খেলতে ভালো লাগে। বাংলা দলে সুযোগ পেয়েছি, ভালো খেলার চেষ্টা করব।’

মালদার ইংরেজবাজার ব্লকের নরহাট্টা পঞ্চায়েতের দুর্গাপুর গ্রামের বাসিন্দা রোহনের বাবা রবিউল হক পেশায় শ্রমিক, মা মাতটুরা বিবি গৃহবধূ। রোহন ইংরেজবাজার ব্লকের নরহাট্টা গোপেশ্বর সাটিয়ার হাইস্কুলের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র। ফুটবলে তার আগ্রহ দেখে স্কুলের শরীরশিক্ষা বিষয়ের শিক্ষক সুব্রত দাস তাঁকে নিজের স্কুলে ভর্তি নেন। তিনিই নিয়মিত অনুশীলন ও প্রশিক্ষণ দিয়ে এসেছেন। এই বছর প্রথম জেলা দলে সুযোগ করে নেয় সে। ভালো খেলার সুবাদে জেলা দল থেকে সরাসরি বাংলা দলে সুযোগ। শিক্ষক সুব্রত দাসের কথায়, ‘পরিশ্রমের ফসল পেয়েছে। ভালো ফুটবল খেলে রোহন। আশা করি আগামীতে আরও ভালো খেলবে। আগামীতে প্রতিষ্ঠিত হলে গ্রাম, স্কুল, জেলার গর্ব হবে এই ফুটবলার।’

তবে এই প্রথম নয়, এর আগেও ইংরেজবাজার ব্লকের নরহাট্টা গোপেশ্বর সাটিয়ার হাইস্কুলের একাধিক পড়ুয়া ভালো ফুটবল খেলার সুবাদে বিভিন্ন ক্লাবে খেলছে। ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে রয়েছে এই স্কুলের এক ছাত্র। তবে বাংলা দলে এই প্রথম স্কুলের কোনও ছাত্র সুযোগ করে নিল। এতেই গর্বিত স্কুলের প্রধান শিক্ষক তুষারকুমার সান্যাল। তিনি বলেন, ‘আমাদের স্কুলের ছাত্ররা আগাগোড়া ভালো ফুটবল খেলে। স্কুলের দুজন শিক্ষক নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও অনুশীলন করান। সেখান থেকেই উঠে এসেছে আরও এক ছাত্র রোহন। আশা করি ও আগামীতে আরও ভালো খেলবে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *