হরিশ্চন্দ্রপুর: শনিবার মালদা টাউন স্টেশন (Malda City Station) থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশের প্রথম অমৃত ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করেছেন। পাশাপাশি, মালদার (Malda) হরিশ্চন্দ্রপুর থানা এলাকার হরিশ্চন্দ্রপুর ও ভালুকা স্টেশনে ৩টি দূরপাল্লার ট্রেনের স্টপ মিলতে চলেছে। ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী রাধিকাপুর-বেঙ্গালুরুগামী সাপ্তাহিক এক্সপ্রেস ট্রেনের সূচনা করেছেন। এটির হরিশ্চন্দ্রপুর স্টেশনে স্টপ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, সপ্তাহে ৩ দিন পরীক্ষামূলক স্টপ হিসাবে হরিশ্চন্দ্রপুর স্টেশনে শিয়ালদা-শিলচর কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস মিলতে চলেছে। পাশাপাশি, ভালুকা রেলস্টেশনে যোগবানি এক্সপ্রেসকে পরীক্ষামূলক স্টপ হিসেবে দেওয়া হবে বলে রেলের সূত্রে জানানো হয়েছে।
এলাকার বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের স্টপ নিয়ে দাবি জানিয়ে আসছিলেন। অপরদিকে বাংলা-বিহার সীমানাবর্তী হরিশ্চন্দ্রপুর থানা এলাকার কুমেদপুরে নতুন করে কোনও দূরপাল্লার ট্রেনের স্টপ না পাওয়ায় ক্ষুব্ধ সেখানকার বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, এবারও তাঁদেরকে বঞ্চিত রাখা হয়েছে। উঠে আসছে যাত্রীদের অন্যান্য সমস্যার কথাও। হরিশ্চন্দ্রপুর রেল উন্নয়ন সমিতির আহ্বায়ক মফিজ উদ্দিন আহমেদ বলছেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের স্টপ নিয়ে দাবি জানিয়ে আসছিলাম। হরিশচন্দ্রপুর স্টেশনে ৩ দিনের স্টপ দিয়ে রেল আপাতত সেই দাবি মেনে নিয়েছে। এতে আমরা খুশি। কিন্তু অন্যদিকে, মালদা টাউন স্টেশন থেকে মালদা টাউন এনজেপি ফাস্ট প্যাসেঞ্জারের টাইম বদলে বিকেল তিনটায় করে দেওয়া হয়েছে। এতে নিত্যযাত্রীরা অসুবিধায় পড়ছেন। কারণ এরপর মালদা টাউন স্টেশন থেকে হরিশ্চন্দ্রপুরের দিকে আর কোনও প্যাসেঞ্জার ট্রেন নেই। আমাদের দাবি, সকাল আটটার থেকে দুপুর আড়াইটা এবং তিনটের থেকে সন্ধ্যার মধ্যে অন্তত একটি করে প্যাসেঞ্জার ট্রেন হরিশ্চন্দ্রপুর অভিমুখে দেওয়া হোক।’
এপ্রসঙ্গে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের অ্যাডভাইজারি কমিটির সদস্য শ্রীমন্ত মিত্র বলেন, ‘মালদা জেলার বিহার সীমানাবর্তী কুমেদপুর থেকে টাউন স্টেশন পর্যন্ত লোকাল ট্রেনের সংখ্যা খুবই কম। আমি এই বিষয়টি রেল দপ্তরকে জানাব। যাতে চাকরিজীবী থেকে শুরু করে ছাত্রছাত্রী, ব্যবসায়ীদের সুবিধার্থে অন্তত আরও দুটি প্যাসেঞ্জার ট্রেন চালানোর ব্যবস্থা করা যায়।’
