Malda | পার্কিং-জটে নাভিশ্বাস মালদা শহরের, বাড়ছে মানুষ ও গাড়ির সংখ্যা 

Malda | পার্কিং-জটে নাভিশ্বাস মালদা শহরের, বাড়ছে মানুষ ও গাড়ির সংখ্যা 

ব্লগ/BLOG
Spread the love


জসিমুদ্দিন আহম্মদ, মালদা: রবীন্দ্র অ্যাভিনিউ, কেজে সান্যাল রোডের মতো মালদার (Malda) গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার একাধিক জায়গায় বেআইনি পার্কিং। সমস্যার এখানেই শেষ নয়, রথবাড়ি বাজারের প্রবেশপথ, ডিসিআর মার্কেট, মকদুমপুর বাজারের সামনে মোটরবাইকের জটলা সবসময়। যার প্রভাব পড়ছে শহরের প্রধান সড়কগুলিতে। শহরজুড়ে বাড়ছে তীব্র যানজট। এক সময়ের গতিশীল শহর যেন ক্রমেই শ্লথ হয়ে পড়ছে। নির্বিকার পুরসভা ও ট্রাফিক পুলিশ।

বিজ্ঞানভিত্তিকভাবে গড়ে ওঠেনি দেড়শো বছরেরও বেশি সময়ের পুরোনো মালদা শহর। ইংরেজ শাসকদের হাতে তৈরি এই শহর মূলত বাণিজ্যিক দৃষ্টিভঙ্গিতে গড়া। ঘিঞ্জি রাস্তাঘাট, মূল সড়ক অনেকটায় অপ্রশস্ত। সময়ের সঙ্গে বেড়েছে জনসংখ্যা এবং শহরের পরিধি। উত্তরবঙ্গের করিডর হয়ে উঠেছে এই শহর। বর্তমানে মালদা শহরে বসবাসকারী মানুষের সংখ্যা ৫ লক্ষেরও বেশি। আকাশ ছুঁতে চাইছে বহুতলের সারি। মূল সড়কের দুই ধার দখল করে ফেলেছে বহুজাতিক সংস্থার মলগুলি। বিভিন্ন কাজের সুবাদে প্রত্যেকদিন আরও মানুষ ভিড় জমান। স্বাভাবিকভাবে বেড়েছে যানবাহনের সংখ্যা। সবকিছুর আধুনিকীকরণ হলেও রাস্তাঘাটের বদল ঘটেনি সেভাবে। গড়ে তোলা হয়নি পর্যাপ্ত পার্কিং জোন। পুরোনো হাসপাতাল ছাড়া বাকি পার্কিং লটগুলির বেশিরভাগ রয়েছে রাস্তার উপর। শহরজুড়ে বেলাগাম টোটো আর যানবাহনের দাপট অপ্রশস্ত রাস্তায় সৃষ্টি করছে যানজট। ৫ মিনিটের পথের দূরত্ব চলতে সময় লাগছে ১০ থেকে ১৫ মিনিট। কখনও তার চেয়েও বেশি সময় লেগে যায়। চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে সাধারণ পথচারী থেকে বিভিন্ন কাজে এই শহরে পা রাখা মানুষদের।

শহরের বাসিন্দা নরেন্দ্রনাথ সাহার অভিযোগ, ‘রবীন্দ্র অ্যাভিনিউজুড়ে তো রাস্তার উপরেই পার্কিং চালাচ্ছে পুরসভা। রাস্তার উপরে মোটরবাইক রাখার চার্জ ঘণ্টায় ১০ টাকা। শপিং মলগুলোর নিজস্ব পার্কিং নেই। যার ফলে শহরে বাড়ছে যানজট।’ বাপন দাস নামে এক বাসিন্দার বক্তব্য, ‘রথবাড়ি ফোর লেন এখন সরকারি ও বেসরকারি বাসের পার্কিং। গুরুত্বপূর্ণ ১ নম্বর ও ২ নম্বর লেনে দাঁড়িয়ে থাকে সারিসারি বাস, সরকারি গাড়ি। ট্রাফিক পুলিশ মোটর বাইকচালকদের হেলমেটের কেস দেওয়া ছাড়া কোনও কাজ করে না। তাহলে যানজট সমস্যার সমাধান কীভাবে হবে?’

ইংরেজবাজার পুরসভার চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরী বলছেন, ‘মালদা শহরের কলেবর যেভাবে বৃদ্ধি হচ্ছে, তাতে মানুষের সঙ্গে বাড়ছে যানবাহনের মাত্রাতিরিক্ত চাপ। পুরসভার তরফে ফাঁকা জায়গাগুলিকে কাজে লাগিয়ে ছোট ছোট অনেক পার্কিং লট তৈরি করেছি। আমাদের লক্ষ্য রয়েছে শহরে বেশ কয়েকটা বহুতল পার্কিং জোন তৈরি করার। এনিয়ে আমাদের পরিকল্পনার কথা জেলা প্রশাসনকে জানিয়েছি।’ যানজট নিয়ন্ত্রণ ট্রাফিক পুলিশের দায়িত্ব, মনে করিয়ে দিচ্ছেন কৃষ্ণেন্দু।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *