Mal Bazar | ‘বাবা-মায়ের কথা মনে পড়ে’, যন্ত্রণাকে সঙ্গী করেই স্কুলের পথে ‘খুদে যোদ্ধা’ সুস্মিতা

Mal Bazar | ‘বাবা-মায়ের কথা মনে পড়ে’, যন্ত্রণাকে সঙ্গী করেই স্কুলের পথে ‘খুদে যোদ্ধা’ সুস্মিতা

ভিডিও/VIDEO
Spread the love


মালবাজার: কয়েক মাস আগেই মা মারা গিয়েছেন ক্যান্সারে। ভিন রাজ্যে কাজ করতে গিয়ে হারিয়ে গিয়েছেন বাবা। কিন্তু এরপরেও হাল না ছেড়ে নিজের প্রতিবন্ধী বোন, ছোট ভাই ও ঠাকুমার দায়িত্ব কাধে তুলে নিয়েছে ১৩ বছরের সুস্মিতা ওরাও। কোনও সময় রাস্তা বানানোর কাজ আবার কখনও লোকের বাড়িতে কাজ করে পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে এই খুদে যোদ্ধা।

২১ এপ্রিল এই বিষয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় উত্তরবঙ্গ সংবাদে। এরপরেই বিষয়টি নিয়ে আলোড়ন পড়ে যায় নানান মহলে। বিষয়টি জানতে পেরে একটি এনজিওর পক্ষ থেকে সুস্মিতাকে পুনরায় সুভাষিনী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে ভর্তি করানো হয়।এনজিও-র পক্ষ থেকে প্রতিবন্ধী বোনের জন্য সরকারি সাহায্যের ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে সুস্মিতাকে। সেইমতো মঙ্গলবার সকালে লোকের বাড়িতে কাজ করে ফিরে এসে, ভাই বোনকে খাইয়ে তাঁদের স্কুলে পাঠানোর পর নিজেও স্কুলের পথে পা বাড়াল ১৩ বছরের ছোট্ট সুস্মিতা।

এদিন সুস্মিতা বলেন, ‘সকলের বারণের পর আমি এখন রাস্তার কাজ করতে যাই না,রাস্তার কাজে ঠাকুমা যায়। আমি একটা বাড়িতে কাজ করি। কদিন আগেই এক এনজিও দিদি আমাকে স্কুলে ভর্তি করে দিয়েছেন। আমি খুশি স্কুলে যেতে পেরে। কিন্তু সব সময় কান্না পায়, বাবা-মায়ের কথা মনে পড়ে’।

শুরুর থেকেই এই পরিবারটির পাশে রয়েছেন দুই শিক্ষিকা শিখা ঘোষ ও মৌমিতা বিশ্বাস। তাঁরাই বিষয়টি প্রথম প্রকাশ্যে আনেন। সুস্মিতার স্কুলে যাওয়ার বিষয়টিতে তাঁরা যেমন এনজিওটিকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন, তেমনি সুস্মিতার বাবাকে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সকলের সাহায্য আবেদনও করেছেন তাঁরা। এই প্রসঙ্গে শিক্ষিকা শিখা ঘোষ বলেন, ‘সুস্মিতার স্কুলে যাওয়া নিয়ে আনন্দিত, কিন্তু আমরা চাই ওর বাবা ফিরে আসুক।বাবা-মায়ের ওপরে সন্তানের জন্য পৃথিবীতে কেউ নেই,সকলের কাছে অনুরোধ সাহায্য করুন এদের।’

 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *