Mainaguri | অবশেষে বাজারে এল ভুটানের কমলা

Mainaguri | অবশেষে বাজারে এল ভুটানের কমলা

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


অভিরূপ দে, ময়নাগুড়ি: বেটার লেট দ্যান নেভার! উত্তরবঙ্গে শীতের সূচনা হয়েছে অনেকদিনই হল। তবুও বাজারে সেভাবে ভুটানের কমলালেবুর দেখা মিলছিল না। তবে এবার অপেক্ষার অবসান। সোমবার থেকে ময়নাগুড়ির বাজারে (Mainaguri) আসতে শুরু করেছে ভুটানের উৎকৃষ্ট মানের কমলালেবু৷ স্বাদ ও গন্ধে যার জুড়ি মেলা ভার। প্রথম দিন থেকেই ক্রেতা ভিড় জমাচ্ছেন কমলা কিনতে।

পুজোর সময় ভুটানে অতিবৃষ্টির ফলে অনেক গাছে ফলন নষ্ট হয়ে যায়। পরিসংখ্যান বলছে, এবার অন্য বছরের চেয়ে প্রায় সত্তর শতাংশ ফলন কম হয়েছে। জোগান কম থাকায় স্বাভাবিকভাবেই কমলার দাম অনেকটাই বেশি। ময়নাগুড়ির পাইকারি বাজারে যেমন দেখা গেল, ভুটানের কমলা বিক্রি হচ্ছে প্রতি পিস ১২ থেকে ১৫ টাকায়। খোলাবাজারে ওই কমলারই দাম আবার ২০ টাকা করে।

প্রতি বছর শীতের গোড়াতেই মূলত নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে দার্জিলিং পাহাড় ও ভুটান থেকে ময়নাগুড়ি শহরে কমলালেবু আসে। গত বছর পর্যাপ্ত রোদ, বৃষ্টি ও অনুকূল আবহাওয়ার কারণে কমলার আগাম ফলন হয়েছিল। নভেম্বরের প্রথম দিক থেকেই বাজারে উঁকি দিচ্ছিল ভুটানের কমলা। সেখানে এবার ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহের পর বাঙালির শীতকালের প্রিয় ফলের দেখা মিলল।

বহু বাঙালির কাছে শীতের আসল মজা লুকিয়ে আছে এই ফলের স্বাদে। কিন্তু শুধু সুস্বাদু বলেই যে চাহিদা বেশি তা একেবারেই নয়। শীতে নিয়মিত কমলা খেলে স্বাস্থ্য ভালো থাকে, অসুখবিসুখ কম হয়। ময়নাগুড়ির পাইকারি ফল বিক্রেতা রতন মজুমদারও জোগান কমের বিষয়টি মেনে নিলেন। বললেন, ‘অন্যান্য বছরের তুলনায় সত্যিই এবছর ভুটান থেকে অনেক কম কমলা আসছে। কারণ বৃষ্টির জন্য ফলন কম হয়েছে। এবার খুব বেশিদিন ভুটানের কমলা পাওয়া মুশকিল।’

গত বছর মরশুমের শুরুতে পাইকারি বাজারে ভুটানের কমলার দাম ছিল প্রতি পিস ৬-৭ টাকা। খুচরো বাজারে দাম ছিল ১০-১২ টাকা করে। ময়নাগুড়ি বাজারে কমলা কিনতে এসেছিলেন ময়নাগুড়ি শহরের বাসিন্দা মানিক দাস। কমলার দাম শুনে তাঁর চক্ষু চড়কগাছ। তিনি বললেন, ‘আগে কোনওদিন এত দাম দিয়ে কমলা কিনিনি। কিন্তু মরশুমি ফল, তাই দাম বেশি হলেও বাড়ির জন্য কিনলাম।’ আরেক ক্রেতা বিনীতা সরকার অকপটে স্বীকার করলেন, ‘ভুটানের কমলার স্বাদ খুব ভালো। তাই দাম বেশি হলেও কিনে নিয়ে যাচ্ছি।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *