উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ হিন্দি সিনেমার সোনালী যুগের অন্যতম চর্চিত এবং ট্র্যাজিক প্রেমের সম্পর্ক ছিল দিলীপ কুমার (Dilip Kumar) ও মধুবালার। ১৯৬০ সালের আইকনিক ছবি ‘মুঘল-এ-আজম’-এর মুক্তির আগেই ভেঙে যায় তাঁদের প্রেম। সম্প্রতি প্রবীণ অভিনেত্রী মুমতাজ দাবি করেছিলেন, হৃদরোগের কারণে সন্তান ধারণে অক্ষমতার কথা জেনেই মধুবালার (Madhubala) সঙ্গে সম্পর্ক ভেঙেছিলেন দিলীপ কুমার। তবে এই বিস্ফোরক দাবি সরাসরি খারিজ করে দিলেন মধুবালার বোন মধুর ভূষণ (Madhur Bhushan)।
কী দাবি করেছিলেন মুমতাজ? আর মধুর ভূষণের বক্তব্য কী?
- মুমতাজের দাবি: সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে মুমতাজ দাবি করেন, মধুবালার শারীরিক সমস্যার (হৃদরোগ ও সন্তানহীনতার শঙ্কা) কথা জানার পরেই দিলীপ কুমার তাঁর থেকে সরে আসেন।
- বোনের কড়া প্রতিক্রিয়া: এক সাক্ষাৎকারে মধুবালার বোন মধুর ভূষণ জানান, মুমতাজের এই দাবি “সম্পূর্ণ ভুল”। তাঁর স্পষ্ট কথা, দিলীপ কুমারের সঙ্গে যখন মধুবালার বিচ্ছেদ হয়, তখন এই হৃদরোগের কথাই কেউ জানতেন না।
মধুর ভূষণ জানিয়েছেন, মধুবালা যখন ‘চলতি কা নাম গাড়ি’ (১৯৫৮) ছবির শুটিং করছিলেন, সেই সময়েই তাঁর হৃদরোগের সমস্যা প্রকাশ্যে আসে।
- চেন্নাইতে শুটিংয়ের সময় চিকিৎসকদের পরামর্শে মুম্বইয়ে পরীক্ষা করানোর পর ধরা পড়ে যে তাঁর হৃদয়ে ছিদ্র রয়েছে।
- সেই সময় চিকিৎসাবিজ্ঞান এত উন্নত না থাকায় ভারতে জটিল এই অস্ত্রোপচার সম্ভব ছিল না।
- ইতিমধ্যে কিশোর কুমারের সঙ্গে মধুবালার সম্পর্ক তৈরি হয় এবং তাঁরা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। কিশোর কুমারই তাঁকে চিকিৎসার জন্য লন্ডন নিয়ে যান। কিন্তু লন্ডনের চিকিৎসকরা জানিয়ে দেন, এই রোগের কোনও নিরাময় নেই এবং তাঁর আয়ুষ্কাল মাত্র দু’বছর।
‘মুঘল-এ-আজম’ ছবির বিখ্যাত শিকল পরা গানে অভিনয়ের সময় তিনি মঞ্চেই সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েছিলেন বলেও জানান তাঁর বোন। মাত্র ৩৬ বছর বয়সে, ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি দীর্ঘ লড়াইয়ের পর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন রূপোলি পর্দার এই ট্র্যাজিক সুন্দরী।
The publish Madhubala | দিলীপ কুমারের সঙ্গে কেন ভাঙল সম্পর্ক? মধুবালার বোন মধুর ভূষণের বিস্ফোরক দাবি appeared first on Uttarbanga Sambad.
