Lok Adalat led by seven girls judges resolve greater than 2700 instances in at some point at Purulia

Lok Adalat led by seven girls judges resolve greater than 2700 instances in at some point at Purulia

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


তাঁরা কেউই আইন নিয়ে পড়াশোনা করেননি। সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে দক্ষতা বা সুনামের সঙ্গে কাজ করা সমাজসেবী-শিক্ষিকা। ‘নারী শক্তি’র প্রতিভূ সেই ৭ মহিলাকে দেখা গেল পুরুলিয়া লোক আদালতের ‘বিচারক’-এর ভূমিকায়। একদিনের ‘বিচারক’ হয়ে তাঁরা মামলা নিষ্পত্তিতে সাহায্য করলেন পুরুলিয়া আদালতের বিচারকদের। আর একদিনেই ২৭৮১ টি মামলার নিষ্পত্তি হয়ে গেল। জরিমানা আদায় হল ৭৮ লাখেরও বেশি। এ এক নজিরই বটে!

শনিবার পুরুলিয়া জেলা আদালতের ক্যাম্পাসে লোক আদালতের মেম্বার জাজ হিসাবে ৭ টি বেঞ্চে ৭ জন মহিলা পুরুলিয়া আদালতের বিচারকদের সহায়তা করে একদিনে ২৭৮১ মামলার নিষ্পত্তি করে নিজেরা যেমন নজর কাড়লেন। তেমনই লোক আদালতের প্রতি আমজনতার ভরসা আরও বাড়ালেন। এই সাত ‘বিচারক’ হলেন – সমাজসেবী সুদেবী দাঁ, শান্তময়ী বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা সুস্মিতা রায়চৌধুরী, পুরুলিয়া গভর্নমেন্ট গার্লস হাইস্কুলের কোয়েল মারান্ডি, কৃষ্ণা সাহা ও চিত্তরঞ্জন গার্লস হাই স্কুলের তিন শিক্ষিকা সমাপ্তি মল্লিক, ঝুমা মন্ডল ও শুভ্রা মাহাতো। এদিন ৪৭২৪ টি মামলা গ্রহণ করা হয়। জরিমানার মোট অঙ্ক ৭৮ লাখ ১৭ হাজার ৯৮০ টাকা।

আরও পড়ুন:

লোক আদালতে মামলার নিষ্পত্তিতে জনতার ভিড়। নিজস্ব ছবি

তারিখ পে তারিখ! এই বাক্যতেই আদালতের প্রতি ক্রমেই আস্থা হারাচ্ছেন মানুষজন। ফলে দ্রুত বিচারের নিষ্পত্তি পেতে সাধারণ মানুষের মুখে মুখে ফিরছে লোক আদালতের কথা। পুরুলিয়া জেলা আদালতের মুখ্য বিচারক সন্দীপ চৌধুরী বলেন, ‘‘আদালতের প্রতি মানুষ ভরসা হারাচ্ছেন একের পর এক তারিখ দেওয়ার কারণে। অথচ লোকআদালত খুব দ্রুত সিভিল বা দেওয়ানি মামলা নিষ্পত্তি করছে। যাঁরা সমস্যায় পড়েছেন, তাঁরা একেবারে সরাসরি লোক আদালতে যেতে পারেন। এখানে কোন খরচা নেই। সঙ্গে সঙ্গে জরিমানা দিয়ে মামলার নিষ্পত্তি হয়। এমনকি এই ধরনের ক্ষেত্রে কিস্তিরও সুবিধা রয়েছে।”

সমাজসেবী সুদেবী দাঁ’য়ের বক্তব্য, ‘‘আমি ব্যাঙ্কিং সমস্যার বিষয়গুলি নিয়ে যেসব মামলা রয়েছে তার নিষ্পত্তি করলাম। এই কাজ করতে পেরে ভীষণ ভালো লাগছে। এই চেয়ারে বসার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য আমি কৃতজ্ঞ।” শান্তময়ী বালিকা বিদ্যালয়ের সহ-শিক্ষিকা সুস্মিতা রায়চৌধুরীর কথায়, ‘‘এটা আমার প্রথম অভিজ্ঞতা। কী যে ভালো লাগছে, বলে বোঝাতে পারব না। আমি যে সকল মামলার নিষ্পত্তি করেছি তারমধ্যে ব্যাঙ্কিং ক্ষেত্র যেমন রয়েছে, তেমনই ছিল বিএসএনএল-র বিষয়। বিচারকের সহায়তায় এই কাজ করতে পেরেছি।”

একদিনের ‘বিচারক’-র ভূমিকায় শান্তময়ী বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা সুস্মিতা রায়চৌধুরী। নিজস্ব ছবি

ব্যাঙ্কের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে যাঁরা শোধ করতে পারছেন না তাঁদের সহজ ইএমআই-এ বেঁধে দেওয়া হয়। অনেকে আবার এদিন সুদের টাকা জমা করেন। একইভাবে বিএসএনএল ল্যান্ড লাইন ফোন কেটে দিলেও তা সংশ্লিষ্ট বিভাগকে না জানানোই তার বিল চলে এসেছে। এই ধরনের মামলাগুলিও নিষ্পত্তি হয়। জাতীয় আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষের সচিব অরিজিৎ মণ্ডল বলেন, ‘‘এদিন মোট আটটি বেঞ্চে মামলা নিষ্পত্তি হয়। তার মধ্যে সাতটি বেঞ্চে মহিলা মেম্বার জাজ ছিলেন। একদিনে ২৭৮১ মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে।”

এই লোক আদালত বছরে চারবার হয়ে থাকে। মার্চ, জুন, সেপ্টেম্বর ও ডিসেম্বর। এসআইআরের কারণে মার্চ মাসে লোক আদালতের কাজ না হওয়ায় এদিন প্রায় ১২ হাজার মানুষ বিভিন্ন মামলায় পুরুলিয়া লোক আদালতে হাজির হয়েছিলেন।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *