Lionel Messi’s dream shattered after defeat to Spain in FIFA World Cup 2026 closing

Lionel Messi’s dream shattered after defeat to Spain in FIFA World Cup 2026 closing

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


১৯৩০ সালে উরুগুয়ে বিশ্বকাপের প্রথম ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল দুই স্প্যানিশভাষী দেশ – উরুগুয়ে ও আর্জেন্টিনা। তারপর কেটে গেছে দীর্ঘ ৯৬ বছর। পেরিয়েছে ২২টি বিশ্বকাপ। অবশেষে ২০২৬-এর ২৩তম আসরে ইতিহাস যেন আবার ফিরে এল। এবার ফাইনালের (FIFA World Cup 2026 closing) মঞ্চে স্পেন ও আর্জেন্টিনা। দুই দেশ, দুই ভিন্ন সংস্কৃতি, আলাদা ফুটবল দর্শন। তবু তাদের মিলিয়ে রেখেছে একটি ভাষা, স্প্যানিশ। তাই এটি শুধু বিশ্বসেরার লড়াই নয়, একই ভাষার দুই ফুটবল শক্তিধর দেশের মর্যাদার দ্বৈরথ। সেই দ্বৈরথ যে এমন একপেশে হবে, তা হয়তো কেউ ভাবেনি।দাপুটে স্পেনের সামনে দিশেহারা দেখিয়েছে আর্জেন্টিনাকে। ফলে টানা দু’বার ট্রফি জেতা হল না লিওনেল মেসির। ১৬ বছর পর বিশ্বজয়ী স্পেন। প্রশ্ন হল, কেন এভাবে হারের মুখ দেখতে হল আর্জেন্টিনাকে?

স্পেনের দাপুটে ফুটবল
ফাইনালের শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় স্পেন। বলের দখল থেকে পাসিং, সবেতেই আধিপত্য দেখিয়ে তারা আর্জেন্টিনাকে চাপে রাখে। বল হারানোর সঙ্গে সঙ্গেই স্পেনের ফুটবলাররা প্রতিপক্ষকে ঘিরে ধরে বল কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এই হাই প্রেসিংয়ের কারণে আর্জেন্টিনা নিজেদের অর্ধ থেকেই স্বাভাবিকভাবে আক্রমণ গড়ে তুলতে পারেনি।

আরও পড়ুন:

FIFA World Cup 2026 final: Spain won the world cup after 16 years

একা কুম্ভ এমিলিয়ানো মার্টিনেজ
ফাইনালের আগে কোনও এক ম্যাচে চারটের বেশি সেভ করতে হয়নি। তবে ফাইনালে ৭৫ মিনিটেই সাতবার সেভ করেন। স্পেনের মুহুর্মুহু আক্রমণের সামনে একাই লড়াই করেন আর্জেন্টিনা গোলরক্ষক। গোটা ম্যাচে ১৫টা সেভ করে নজির গড়লেন। তবে অবশেষে তিনি পরাস্ত হলেন। খুলল গোলমুখ। উইলিয়ামের বাড়ানো বল থেকে এবার আর গোল করতে কোনও ভুল করেননি তোরেস। এক্সট্রা টাইমের দ্বিতীয়ার্ধে ১-০ এগিয়ে যায় স্পেন।

বোতলবন্দি মেসি
স্পেনের রদ্রি ও লাপোর্তে মেসিকে ঘিরে রাখেন। ফলে এলএম১০ নিজের স্বাভাবিক ছন্দে খেলতে পারেননি। মেসি আটকে যাওয়ায় যে কী পরিণতি হতে আর্জেন্টিনার, তা দেখল ফুটবলবিশ্ব। 

আর্জেন্টিনার প্রতি-আক্রমণ ব্যর্থ
আর্জেন্টিনা দ্রুত পালটা আক্রমণের পরিকল্পনা করলেও স্পেনের সংগঠিত রক্ষণ এবং মিডফিল্ডের চাপে সেই পরিকল্পনা সফল হয়নি। গোটা ম্যাচে একটাও গোলমুখী শট নিতে পারেনি ‘লা আলবিসেলেস্তে’ অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধ পর্যন্ত। 

দিশেহারা আর্জেন্টিনা মাঝমাঠ
স্পেনের ধারাবাহিক আক্রমণের সামনে কার্যত দিশেহারা দেখিয়েছে আর্জেন্টিনার মাঝমাঠ ও রক্ষণভাগকে। একের পর এক আক্রমণ সামলে কোনও রকমে এখনও ম্যাচে টিকে ছিলেন ওটামেন্ডিরা। দ্বিতীয়ার্ধে নিকো গঞ্জালেসকে তুলে লিয়োনার্দো পারেদেসকে নামালেন স্কালোনি। এরপর রোমেরো ও ডি পলকে তুলে মেদিনা ও সিমিয়োনেকে নামান আর্জেন্টিনা কোচ। এতে অবশ্য কাজের কাজ হয়নি। এভাবে রক্ষণ সামলে টিকে থাকা কঠিন। দ্বিতীয়ার্ধের প্রায় পুরো সময়ই বলের দখল ছিল স্পেনের পায়ে। শুধু গোলের শেষ ছোঁয়াটাই দিতে পারছিলেন না ইয়ামাল, কুকুরেয়া, ওয়ারজাবালরা। তবে কুবার্সিকে ট্যাকেল করতে গিয়ে ফাউল করে এঞ্জো ফার্নান্দেজ লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লেন ইনজুরি টাইমে। ১০ জনে খেলা সেভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারল না আর্জেন্টিনা।

FIFA World Cup 2026 final: Lionel Messi'sdrea, of winning the world cup back to back shattered

ইয়ামালদের অসাধারণ পারফরম্যান্স
ডান প্রান্তে ইয়ামাল তাঁর গতি, ড্রিবলিং ও স্কিল দিয়ে বারবার আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগকে সমস্যায় ফেলেন। তাঁর তৈরি করা আক্রমণ থেকেই স্পেন একাধিক গোলের সুযোগ তৈরি করে। তাঁর সঙ্গে কুকুরেয়া গতি, স্কিল এবং ওভারল্যাপিং দৌড়ে আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডারদের বারবার চাপে ফেলেন।

সবমিলিয়ে এবারের বিশ্বকাপে নিজেদের সবচেয়ে খারাপ ম্যাচটা খেলল আর্জেন্টিনা। পারফরম্যান্স এতটাই নিষ্প্রভ ছিল যে, এই দল কীভাবে ফাইনালে পৌঁছেছিল, সেই প্রশ্নও উঠতে পারে। স্নায়ুর চাপ ধরে রেখে দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয় স্পেনের। দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ হাতে তোলার স্বপ্নভঙ্গ মেসির। চোখের জলে বিদায় আর্জেন্টিনার। কার্যত একপেশে ভাবেই ফাইনাল জিতল স্প্যানিশ আর্মাডা। তোরেসের একমাত্র গোলেই ১-০ জয়ী ফুয়েন্তের ছেলেরা।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *